বাংলাদেশের সাধারণ পাসপোর্টে আবারও ফিরছে ‘এক্সেপ্ট ইসরায়েল’ (ইসরায়েল ব্যতীত) বাক্যটি। একই সাথে পাসপোর্টের ভেতরের পাতার নকশায় আনা হচ্ছে বড় ধরনের পরিবর্তন।
নতুন ডিজাইনে যুক্ত করা হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ আবু সাঈদের ছবি, দেশের বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা ও নিদর্শন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
২০২০ সালের শেষ দিকে তৎকালীন স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই পাসপোর্ট থেকে ‘এক্সেপ্ট ইসরায়েল’ শব্দবন্ধটি বাদ দেওয়া হয়।
এবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি, জনমত এবং ফিলিস্তিন ইস্যুতে দেশের দীর্ঘদিনের অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ই এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। গত বছরের ৭ এপ্রিল এ-সংক্রান্ত একটি আদেশও জারি করা হয়। তবে কূটনৈতিক পাসপোর্ট ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে তা পুরোপুরি কার্যকর না হওয়ায় এখন নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে পাসপোর্টের পাতার ওয়াটারমার্কে আরও যুক্ত হচ্ছে বঙ্গভবন, জিআই পণ্য জামদানি শাড়ি, জাতীয় ফল কাঁঠাল, জাতীয় মাছ ইলিশ, আমবাগান, সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর, বান্দরবানের নীলগিরি এবং নারায়ণগঞ্জের পানাম নগরীর ছবিও রাখা হচ্ছে পাসপোর্টে।
বর্তমানে থাকা কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের নৌকাসহ একটি ছবিও পরিবর্তন করা হবে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, বাদ পড়ছে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর, টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাধীনতা স্তম্ভ, মডেল মসজিদ, দিনাজপুরের কান্তজিউ মন্দির, যমুনা সেতু, পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং মেহেরপুরের মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের ছবি।