জাতীয়ফল কাঠালের নির্ধারিত কোনো বাগান না থাকলেও শিবচর উপজেলার প্রতিটি বাড়িতে ও রাস্তা ঘাটে রোপনকৃত কাঁঠাল এবার বাম্পার ফলনে প্রতিটি প্ররিবার আনন্দিত। তবে অতিরিক্ত খরা ও শিলাবৃষ্টি, বৈরী আবহাওয়াতে ঝড়ে পরেছে আমের গুটি, তাতে নিশ্চিত লোকসান মুখে আমচাষীরা ও বাগান মালিকরা।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কাঠাল গাছে গোড়া থেকে মাথা পর্যন্ত ঝুলছে কাঠাল, অনেক গাছের ডাল ফলের ভারে নুয়ে পড়েছে। এ বছর কাঠালের ফলন গত কয়েক বছরের তুলনায় অনেক ভালো হয়েছে।
অন্যদিকে আমবাগানগুলোতে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। গাছে মুকুল ও ছোট আম ভালো ধরলেও কয়েক দফা তীব্র গরম ও বৃষ্টির অভাবে অধিকাংশ আম ঝরে পড়েছে। অনেক বাগানে এখন আগের তুলনায় খুব কম আম দেখা যাচ্ছে। এতে লোকসানের আশঙ্কা করছেন চাষিরা।
শিবচরের এক আমচাষি জানান, শুরুতে গাছে প্রচুর আম ছিল। কিন্তু কয়েক সপ্তাহের অতিরিক্ত গরমে ছোট ছোট আম ঝরে পড়ে গেছে। এখন ফলন নিয়ে শঙ্কায় আছি।
অপরদিকে কাঠাল চাষে লাভের আশা দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা। অনেক পরিবার নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত কাঠাল বাজারে বিক্রি করতে পারবে। এতে বাড়তি আয় হবে বলে জানিয়েছেন তারা।
একটি সময় শিবচরে কাঠাল আসতো টাঙ্গাইল, কাপাশিয়া, যশোর, অঞ্চল থেকে, তিন চার বছর জ্বাবৎ নিজ এলাকায় পচুর কাঠাল হবার কারনে চাহিদার তুলনায় বেশী ফলন হয় এবং বিক্রি করে লাভবান হয় ফলে কাঠাল গাছ বাড়ির আঙ্গিনা থেকে শুরু করে রাস্তায় ও রোপন করছে,অন্যদিকে এই এলাকার আম আসতো রাজশাহী, যশোর,মেহেরপুর থেকে গত কয়েক বছর জ্বাবত মেহেরপুর সাতক্ষীরার চাষীরা শিবচরে এসে দির্ঘ মেয়াদি খাজনা নিয়ে আম চাষ শুরু করেছে, গত বছর ভালো ব্যবসা করলেও এবার বেশী লাভের জন্য বাগানে পরিচর্যা বেশী করেছে, শুরুতে আমের মুকুল এবং গুটি বেশী ধরলেও অতিরিক্ত খরা,বৈরী আবহাওয়ায় গাছের সব আম ঝড়ে পরেছে বিধায় নিশ্চিত লোকসান জেনে কৃষকের কপালে চিন্তার ভাজ পরেছে।
শিবচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আলীমুজ্জামান বলেন শিবচর কৃষি নির্ভর এলাকা, এই এলাকায় কাঠালের বানিজ্যিক কোনো বাগান না থাকলেও বেশ কিছু আমের বাগান রয়েছে, কাঠালের ব্যপক ফলন হয়েছে তবে বৈরী আবহাওয়া কারনে গাছের আম সব পরে যাচ্ছে, আমরা সাধ্য অনুযায়ী চাষীদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। পাশাপাশি ফলদ বৃক্ষ সংরক্ষণ ও নতুন করে গাছ লাগানোর প্রতিও গুরুত্বারোপ করে যাচ্ছি।