প্রকাশ: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৩:৩০ পিএম (ভিজিটর : ২৩)
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল, কাতার, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাত-এর কাছে প্রায় ৮.৬ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। এতে আঞ্চলিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, তাদের মিত্র দেশগুলোর প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্যাকেজে বিভিন্ন ধরনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি এবং আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ঘোষণা অনুযায়ী—
কাতার পাবে প্রায় ৪.০১ বিলিয়ন ডলারের ‘প্যাট্রিয়ট’ আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং প্রায় ৯৯২.৪ মিলিয়ন ডলারের অ্যাডভান্সড প্রিসিশন কিল ওয়েপন সিস্টেম
কুয়েত পাবে ২.৫ বিলিয়ন ডলারের সমন্বিত যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।
ইসরায়েল পাবে প্রায় ৯৯২.৪ মিলিয়ন ডলারের APKWS।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ১৪৭.৬ মিলিয়ন ডলারের APKWS সরঞ্জাম।
মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব অস্ত্র বিক্রির সঙ্গে যুক্ত প্রধান ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে BAE Systems, RTX Corporation (সাবেক রেথিয়ন), Lockheed Martin এবং Northrop Grumman।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে ইরান-কে ঘিরে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপ আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে। ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে একাধিক কার্গো বিমানে বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম পাঠিয়েছে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের পর ইরান পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানায়, যা পুরো অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল