কুয়েত ভিসা প্রসেসিং নিয়ে বিভ্রান্তিকর অভিযোগ : প্রকৃত তথ্য বলছে ভিন্ন কথা

স্টাফ রিপোর্টার

জাতীয়

কুয়েতের শ্রমিক ভিসা প্রসেসিং নিয়ে সম্প্রতি একটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব)-এর সভাপতি ও

2026-01-08T23:16:17+00:00
2026-01-08T23:16:17+00:00
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
 
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
জাতীয়
কুয়েত ভিসা প্রসেসিং নিয়ে বিভ্রান্তিকর অভিযোগ : প্রকৃত তথ্য বলছে ভিন্ন কথা
স্টাফ রিপোর্টার
বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম 
কুয়েতের শ্রমিক ভিসা প্রসেসিং নিয়ে সম্প্রতি একটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব)-এর সভাপতি ও মডার্ন ওভারসিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব আব্দুস সালাম আরেফকে ঘিরে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা অসত্য, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কুয়েত দূতাবাস বাংলাদেশে সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে মাত্র ২৫ থেকে ৩০টি রিক্রুটিং ও ট্রাভেল এজেন্সিকে এনলিস্টেড রয়েছে। শুধুমাত্র যে সকল এজেন্সি দূতাবাসের নির্ধারিত গাইডলাইন, ডকুমেন্টেশন স্ট্যান্ডার্ড ও ভিসা স্ট্যাম্পিং সংক্রান্ত সূক্ষ্ম নিয়ম নিখুঁতভাবে অনুসরণ করতে সক্ষম—তাদেরই এই এনলিস্টমেন্ট দেওয়া হয়। কোনোভাবেই এখানে এমবেসির কর্মকান্ড উপরে  নিয়ন্ত্রণের সুযোগ নেই।

এনলিস্টেড এসব এজেন্সিকে কুয়েত দূতাবাসের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি ফাইল সাবমিট করতে হয় এবং সামান্য ভুল থাকলেও ফাইল বাতিল হয়ে যায়। ফলে এনলিস্টমেন্ট পাওয়া এজেন্সিগুলোকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করতে হয়।

সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, আটাবের সভাপতি হিসেবে নয়, বরং অন্যান্য এনলিস্টেড এজেন্সির মতোই নিয়ম মেনে জনাব আব্দুস সালাম আরেফ ও তার প্রতিষ্ঠান কুয়েত দূতাবাসের ভিসা প্রসেসিং কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। এখানে কোনো ধরনের বিশেষ সুবিধা বা নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সুযোগ নেই।

অন্যদিকে প্রতিযোগিতা কমিশনে দায়ের করা অভিযোগের বিষয়ে জানা গেছে, টিকেট সিন্ডিকেটদের সহযোগী প্রতিনিধি হিসেবে পরিচিত আমিনুল ইসলাম রতন এই অভিযোগ দায়ের করেছেন। সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, এটি একটি উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যা অভিযোগ, যার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। সামনে আটাব নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য এ ধরনের ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে এয়ার টিকিট সিন্ডিকেটকারীরা। 

রিক্রুটিং এজেন্সি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কুয়েত ভিসা প্রসেসিংয়ে যে অতিরিক্ত ব্যয়ের কথা বলা হচ্ছে, তার বেশিরভাগই তৃতীয় পক্ষের লজিস্টিক, মেডিকেল, ডকুমেন্টেশন, বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স, ট্রেনিং ও এয়ার টিকেট যা ফি সংক্রান্ত—যা সরাসরি দূতাবাস নির্ধারিত ভিসা ফি নয়। বিষয়টি ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার কুয়েতকে ঘিরে এ ধরনের ভিত্তিহীন ও যাচাইহীন সংবাদ প্রকাশ প্রবাসী কর্মী, রিক্রুটিং সেক্টর এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ—সব কিছুর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, প্রতিযোগিতা কমিশনের নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে এবং মিথ্যা অভিযোগের আড়ালে লুকিয়ে থাকা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার স্পষ্ট হবে।

উল্লেখ্য যে আব্দুস সালাম আরেফ আটাব সভাপতি থাকাকালীন তার নেতৃত্বে ও  উদ্যোগে এয়ার টিকিট সিন্ডিকেট ভাঙ্গা ও মধ্যপ্রাচ্যের টিকিট এর মূল্য কমানোর জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। এ কারণে এয়ার টিকিট সিন্ডিকেট চক্র তার বিরুদ্ধে  হয়রানি ও সম্মানহানীর জন্য মিথ্যা তথ্য দিয়ে কোন কোন সংবাদ মাধ্যমকে প্রভাবিত করার অপচেষ্টা করছে।


Loading...
Loading...

জাতীয়- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: