বছরে ১২০ কোটি ডলার সাশ্রয়; বিদ্যুৎ খাতে সংস্কার করুন

দারা মাহমুদ

কলাম-ফিচার

ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ খাতের ভর্তুকির বোঝা শূন্যের কোটায় নামি আনার সুযোগ আছে বলে মনে করছে ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড

2024-12-09T11:56:42+00:00
2024-12-09T11:56:42+00:00
  মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬,
২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
 
  ই-পেপার   
           
মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
কলাম-ফিচার
বছরে ১২০ কোটি ডলার সাশ্রয়; বিদ্যুৎ খাতে সংস্কার করুন
দারা মাহমুদ
সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১১:৫৬ এএম 
ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ খাতের ভর্তুকির বোঝা শূন্যের কোটায় নামি আনার সুযোগ আছে বলে মনে করছে ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিস (আইইইএফএ)। সংস্থাটি বলছে বিদ্যুৎ খাতে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের মাধ্যমে বছর ১২০ কোটি ডলার বা ১৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব হবে। সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। গত ৪ ডিসেম্বর সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা এক গবেষণা প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত একটা বিরাট ভর্তুকি খাতে পরিণত হয়েছে। বিগত সময়ে ভর্তুকির কথা বলে দফায় দফায় সাধারণ গ্রাহকদের বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা জনগণের ওপর চাপ না বাড়িয়ে বিদ্যুৎ খাতে সংস্কারের মাধ্যমে লোকসান কমানোর কথা বলা হলেও বিগত সরকার সে ব্যাপারে কোনো কথা না শুনে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে গেছে। এখন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব পালন করছে। আমরা এই সরকারকে অনুরোধ করছি সংস্কারের উদ্যোগ নেয়ার জন্য।

আইইইএফএর প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৯-২০ থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর পর্যন্ত বার্ষিক এক দশমিক ৮ শতাংশ পর্যন্ত রাজস্ব বৃদ্ধির বিপরীতে পিডিবির বার্ষিক ব্যয় বেড়েছে ২ দশমিক ৬ শতাংশ। এর ফলে সরকারকে ভর্তুকি দিতে হযেছে এক লাখ ২৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। ভর্তুকি কমাতে সরকারকে ধারাবাহিক পদক্ষেপ নিতে বলেছে সংস্থাটি। প্রতিবেদনে সুপারিশ হিসেবে বলা হয়, শিল্পের উৎপাদিত নিজস্ব বিদ্যুৎ চাহিদায় অর্ধেক জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ করতে হবে। নতুন করে ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য খাত থেকে সরবরাহ করতে হবে। লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিতরণে অপচয় ৮ শতাংশের মধ্যে রাখতে হবে।

বাংলাদেশে চলতি শতকের গোড়ায় দিকে বিদ্যুৎ উৎপাদন অনেক কমে যায়। পুরনো উৎপাদন কেন্দ্রগুলো উৎপাদন সক্ষমতা হারায়, ফলে ব্যাপক লোডশেডিং দিয়ে পরিস্থিতি সমলানো হয় এমনও হয়েছে ১ ঘণ্টা বিদ্যুতের বিপরীতে ২ ঘণ্টা লোডশেডিং করা হয়েছে। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে বিগত জোট সরকার বিদ্যুৎ খাতে বেসরকারি উৎপাদন উন্মুক্ত করে দেয়। এতে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সরকারের যে চুক্তি হয় তা দীর্ঘমেয়াদে সরকারের বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। দেড়দশকে অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা অর্জন করতে গিয়েও বোঝা বেড়েছে। যার বলি আজ সাধারণ ভোক্তারা। আইইইএফএ যে সুপারিশ দিয়েছে তা আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে। আমরা এই সুপারিশ বিবেচনার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে অনুরোধ করছি।


Loading...
Loading...

কলাম-ফিচার- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: