সাংবাদিকতা, লেখালেখি ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘এশিয়ান ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন সাংবাদিক ও কলামিস্ট সুজন দে। তিনি দৈনিক ভোরের ডাক-এর চিফ রিপোর্টার এবং সার্ক কালচারাল সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক।
শুক্রবার বিকেলে কক্সবাজারের হোটেল সি ওয়ার্ল্ডে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি, কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা লুৎফর রহমান কাজল। সাউথ এশিয়ান বিজনেস পার্টনারশিপ আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির নির্বাহী চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক মজনু।
সুজন দে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি দৈনিক ভোরের ডাক-এর প্রধান প্রতিবেদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি ভারতের ত্রিপুরাভিত্তিক গণমাধ্যম ‘হেডলাইনস ত্রিপুরা’-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি হিসেবেও কাজ করছেন। এ ছাড়া দৈনিক আমাদের সময়, মানবকণ্ঠ ও দৈনিক এদিন-এ সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত কলাম লিখছেন তিনি।
রাজনীতি, মানবাধিকার, সমাজ, সংস্কৃতি, পরিবেশ, জনস্বার্থ ও সমসাময়িক নাগরিক সমস্যা তাঁর সাংবাদিকতা ও লেখালেখির প্রধান বিষয়। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের জীবন ও অধিকার, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং গণমাধ্যমে তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্ব পাওয়া বিষয়গুলো তাঁর লেখায় বিশেষ গুরুত্ব পায়।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার এবং সার্কভুক্ত দেশগুলোর মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, ঐক্য ও সাংস্কৃতিক বন্ধন প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন তিনি। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের সঙ্গেও সম্পৃক্ত রয়েছেন সুজন দে।
বর্তমানে তিনি পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস সোসাইটি, বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
সাংবাদিকতা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতিস্বরূপ এর আগেও দেশ-বিদেশে একাধিক সম্মাননা পেয়েছেন সুজন দে। ২০২৪ সালে নেপালের কাঠমান্ডুতে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে তিনি ‘নেপাল-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ অ্যাওয়ার্ড-২০২৪’ লাভ করেন। একই বছর ঢাকার ঢাকা ক্লাবে পান ‘টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি সম্মাননা-২০২৪’। এ ছাড়া ২০১৯ সালে ভারতের ত্রিপুরার আগরতলা প্রেসক্লাব সম্মাননা, ২০১৮ সালে ভারতের আসামের ‘ব্যতিক্রম মাসডো অ্যাওয়ার্ড’ এবং ২০১৫ সালে ঢাকায় ‘এশিয়ান জার্নালিস্ট হিউম্যান রাইটস অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেন।