
শনিবার (৩১ অক্টোবর) চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন থেকে একটি বছর যেন হারিয়ে না যায়, সে লক্ষ্যেই দ্রুত পরীক্ষা নেওয়ার উদ্যোগ বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, এবার এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন মোট ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থী। তাদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে দ্রুত পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। শিগগিরই এসব শিক্ষার্থী আবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ পয়েন্ট।
গত ২ জুলাই শুরু হয়েছিল এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে এতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থীর। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন।
এবারের পরীক্ষায় অনুপস্থিতির সংখ্যাও ছিল উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে পরীক্ষা আয়োজনের অভিযোগ ঘিরে আন্দোলনের ঘটনাও ঘটে। সব মিলিয়ে ফলাফল প্রকাশের পর অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের দ্রুত পুনঃপরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার ঘোষণা নতুন করে আলোচনায় এসেছে।