
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের সময় এ পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়। ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
এবারের ফলাফলে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যায় ছাত্রদের এগিয়ে থাকার চিত্র দেখা গেলেও গত বছরের তুলনায় সর্বোচ্চ গ্রেড পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ২০২৫ সালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬৯ হাজার ৯৭ জন। সে বছর ছাত্রীদের মধ্যে ৩৭ হাজার ৪৪ জন এবং ছাত্রদের মধ্যে ৩২ হাজার ৫৩ জন সর্বোচ্চ ফল অর্জন করেছিল।
অর্থাৎ গত বছর জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে ছাত্রীরা এগিয়ে থাকলেও এবার চিত্র বদলে গেছে। এক বছরের ব্যবধানে ছাত্রদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার পরিবর্তে ছাত্রীদের তুলনায় তাদের অবস্থান এগিয়ে এসেছে—এমন নয়; বরং এবার ছাত্রদের জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা ছাত্রীদের চেয়ে বেশি হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়াসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এবার দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয়। সারা দেশে ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয় এ পরীক্ষা।
গত ২ জুলাই শুরু হয়েছিল এবারের লিখিত পরীক্ষা। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ৮ আগস্ট পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি পরীক্ষা স্থগিত করতে হয়। পরে সেগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।