শিশুর জন্য দেশকে অনিরাপদ করে দেবেন না

দীপু মাহমুদ

মতামত

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় পানির সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে খাইয়ে একজন শিশুকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়েছে। সমকালের ২৫ অক্টোবরের রিপোর্ট অনুযায়ী, শিশুর মায়ের

2026-10-27T18:02:02+00:00
2026-10-27T18:02:21+00:00
  সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬,
১৮ কার্তিক ১৪৩৩
 
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
মতামত
শিশুর জন্য দেশকে অনিরাপদ করে দেবেন না
শিশু নির্যাতনকারীর বিচার করুন। অন্তত একজন শিশু ধর্ষণকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকর করুন।
দীপু মাহমুদ
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম  আপডেট: ২৭.১০.২০২৬ ৬:০২ পিএম
সংগৃহীত ছবি
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় পানির সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে খাইয়ে একজন শিশুকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়েছে। সমকালের ২৫ অক্টোবরের রিপোর্ট অনুযায়ী, শিশুর মায়ের অনুপস্থিতিতে তাকে নিজ বাসায় ডেকে নিয়ে পানির সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে খাওয়ানোর পর দুই ব্যক্তি ধর্ষণ করে। শিশুর বাবা বেঁচে নেই। সে মায়ের সঙ্গে এক ভাড়া বাসায় থাকত।

এটা এখন কেবল সাতকানিয়ায় একজন শিশুর ওপর সংঘটিত অপরাধ নয়। এটা এখন আমাদের দেশের নিরাপত্তাব্যবস্থা, নৈতিকতা, বিচারপ্রক্রিয়া এবং রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিয়ে কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। একজন শিশুকে চেতনানাশক খাইয়ে ধর্ষণের অভিযোগ যে নিষ্ঠুরতার ছবি তুলে ধরে, তা কোনোভাবেই স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে মেনে নেওয়া যায় না। শিশুর দুর্বলতা, অসহায়ত্ব ও বিশ্বাসকে যারা অপরাধের সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করে, তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে সর্বোচ্চ দৃঢ়তা দেখাতে হবে।
আমরা বিশেষ আদালতে শিশু নির্যাতনকারীর বিচার চাই- দ্রুত, নিরপেক্ষ ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার।

বিচারহীনতার সংস্কৃতি ভাঙতেই হবে

শিশু ধর্ষণ বা নির্যাতনের ঘটনা ঘটার পর আমাদের প্রতিক্রিয়ার একটি পরিচিত ধরন আছে। সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ ওঠে, অপরাধীদের গ্রেপ্তারের খবর এলে মানুষ স্বস্তি পায়। তারপর সময় গড়ায়। নতুন কোনো ঘটনা পুরোনো ঘটনাকে আড়াল করে দেয়। ভুক্তভোগী শিশু ও তার পরিবারকে নিয়ে জনপরিসরের আলোচনা কমে আসে। কিন্তু মামলার কী হলো, বিচার কত দূর এগোল, অপরাধীর শাস্তি হলো কি না- এসব প্রশ্নের উত্তর আর সামনে আসে না।
এই গণ্ডিবদ্ধ সংস্কৃতি থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। 

গ্রেপ্তার অবশ্যই জরুরি, কিন্তু গ্রেপ্তার বিচার নয়। যেমন মামলা দায়ের হওয়া মানেই ন্যায়বিচার নিশ্চিত হওয়া নয়। অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, নির্ভরযোগ্য সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহ, শিশুর মর্যাদা ও গোপনীয়তা রক্ষা, দ্রুত বিচার এবং আইন অনুযায়ী দণ্ড কার্যকর করা- প্রতিটি ধাপেই রাষ্ট্রকে দায়িত্বশীল হতে হবে। তদন্তের দুর্বলতা, প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপ, সাক্ষীকে ভয় দেখানো, দীর্ঘসূত্রতা কিংবা ভুক্তভোগীর পরিবারকে সামাজিক চাপে ফেলে মামলা থেকে সরিয়ে দেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টা কঠোরভাবে মোকাবিলা করতে হবে।

বাংলাদেশের আইনে শিশু ধর্ষণের কঠোর শাস্তির বিধান আছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬ অনুযায়ী, ধর্ষণের অপরাধে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান আছে। অর্থাৎ, আইনগতভাবে কঠোর শাস্তির সুযোগ আছে। তবে সেই আইনের প্রয়োগ কতটা কার্যকর, বিচার কতটা দ্রুত এবং অপরাধের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের অবস্থান কতটা দৃশ্যমান। ছয় বছর বা আট বছর পর দু-একটা মামলার রায় হয়। সেখানে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে দেখা যায়। কেন এদের মৃত্যুদণ্ড হয় না? এই বিচার কেন বিশেষ আদালতে দ্রুততর সাথে করা যায় না? আইনে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান থাকা যথেষ্ট নয়। ন্যায়বিচারের মধ্য দিয়ে তার কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

আমি অন্তত একজন শিশু ধর্ষণকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর দেখতে চাই- এই দাবি প্রতিহিংসার নয়, বিচারব্যবস্থার কার্যকারিতা ও রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতার প্রশ্ন থেকে। কোনো মামলায় আদালতে অপরাধ প্রমাণিত হলে এবং সব আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সর্বোচ্চ শাস্তির রায় বহাল থাকলে, সেই রায় কার্যকর করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক, তার পরিচয়, অর্থ কিংবা সামাজিক অবস্থান যেন বিচারপ্রাপ্তির পথে বাধা না হয়।

অভিযুক্ত ব্যক্তির অপরাধ আদালতে প্রমাণিত হচ্ছে। ন্যায়বিচারের সব আইনগত ধাপ অনুসরণ করেই রায় দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বিচার শেষ হওয়ার পর দণ্ড কার্যকরে বছরের পর বছর চলে যাচ্ছে। তারমানে রাষ্ট্রে আইনের কঠোর প্রতিরোধমূলক প্রভাব দুর্বল হয়ে পড়েছে। অপরাধী জেনে গেছে, এখানে বিচার এড়ানোর কিংবা দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখার সুযোগ আছে। আর ভুক্তভোগী পরিবার বিচার প্রক্রিয়ায় আস্থা হারিয়ে ফেলে। তাই বিচারের দীর্ঘসূত্রতা কমানো এবং দণ্ড কার্যকরের ক্ষেত্রে দ্রুততার সাথে আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা জরুরি।

শিশুর নিরাপত্তা কি শুধু পরিবারের দায়িত্ব

শিশুর নিরাপত্তা নিয়ে কথা উঠলেই পরিবারের দায়িত্বের কথা আগে বলা হয়ে থাকে। সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে, কে তাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে- এসব বিষয়ে অভিভাবকদের সতর্কতার প্রয়োজন আছে। শিশুদের বয়সোপযোগীভাবে নিরাপদ ও অনিরাপদ আচরণ সম্পর্কে শেখানোও জরুরি। কিন্তু এই দায়িত্বের কথা বলে রাষ্ট্র, সমাজ কিংবা অপরাধীর দায় কমিয়ে দেখার সুযোগ নেই।

শিশুকে সব বিপদ চিনে নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া যায় না। যে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তাকে নিরাপত্তা দেওয়ার কথা, তার কাছ থেকেই যদি বিপদ আসে, তাহলে শিশুকে শুধু সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে কী লাভ? শিশুরা বড়দের বিশ্বাস করতে শেখে। সেই বিশ্বাসকে যারা শোষণ করে, তাদের অপরাধের দায় কোনোভাবেই শিশুর ওপর চাপানো যায় না।

সাতকানিয়ার ঘটনায় অভিযোগ অনুযায়ী, শিশুকে পরিচিত পরিবেশে ডেকে নিয়ে চেতনানাশক খাওয়ানো হয়েছে। অর্থাৎ, এখানে শুধু শারীরিক নিরাপত্তার ব্যাপার নয়, আছে বিশ্বাসের অপব্যবহার, প্রাপ্তবয়স্কদের দায়িত্বহীনতা এবং শিশুর অসহায়ত্বকে কাজে লাগানোর ঘটনা। এমন অপরাধ প্রতিরোধে পরিবারকে সতর্ক করার পাশাপাশি পাড়া-মহল্লায় শিশু সুরক্ষার ব্যবস্থা, অভিযোগ জানানোর নিরাপদ সুযোগ এবং সন্দেহজনক আচরণের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।

শিশুরা যেন কোনো নির্যাতনের শিকার হলে ভয় না পেয়ে মা-বাবা, বিশ্বস্ত শিক্ষক কিংবা বিশ্বস্ত প্রাপ্তবয়স্কের কাছে বলতে পারে। তাদের কথা যেন অবিশ্বাস করা না হয়, দোষারোপ করা না হয়, চুপ থাকতে বাধ্য করা না হয়। অভিযোগ উঠলে শিশুকে বারবার একই ঘটনা বলতে বাধ্য করা, অপ্রয়োজনীয়ভাবে পরিচয় প্রকাশ করা কিংবা সামাজিক মাধ্যমে তার ব্যক্তিগত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়াও বন্ধ করতে হবে। নির্যাতনের পর শিশুকে দ্বিতীয়বার আঘাত করার অধিকার কারও নেই।

শিশুবান্ধব দেশ চাই

শিশুবান্ধব দেশ মানে শুধু শিশুদের জন্য পার্ক, খেলার মাঠ, সুন্দর বিদ্যালয় বা পুষ্টিকর খাবারের ব্যবস্থা নয়। শিশুবান্ধব দেশ মানে এমন একটি সমাজ, যেখানে শিশু ভয় ছাড়া বেড়ে উঠতে পারে। যেখানে তার শরীর, মর্যাদা ও ব্যক্তিসত্তার ওপর অন্য কারও অধিকার নেই। যেখানে শিশুর অভিযোগকে গুরুত্ব দেওয়া হয়, নির্যাতনকে আড়াল করা হয় না এবং অপরাধীর সামাজিক পরিচয় তাকে দায়মুক্তি দেয় না।

শিশুবান্ধব দেশ মানে এমন এক রাষ্ট্র, যেখানে বিচার পাওয়ার জন্য কোনো মায়ের সংবাদমাধ্যমের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয় না। যেখানে দরিদ্র, অসহায় কিংবা অভিভাবকহীন শিশুর নিরাপত্তা অন্য শিশুদের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে না। যেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, আবাসিক ব্যবস্থা, বিনোদনকেন্দ্র কিংবা পাড়া-মহল্লা- কোনো জায়গাই শিশুর জন্য অনিরাপদ নয়।

শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগকে আরও কার্যকর করতে হবে। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশু সুরক্ষানীতি, অভিযোগ জানানোর নিরাপদ ব্যবস্থা এবং নিরপেক্ষ তদন্তের সুযোগ থাকতে হবে। স্থানীয় পর্যায়ে শিশু সুরক্ষা কমিটিগুলোকে সক্রিয় করতে হবে। পুলিশ, চিকিৎসক, শিক্ষক, সমাজকর্মী ও বিচারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শিশু-সংবেদনশীল আচরণে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। নির্যাতনের শিকার শিশুর জন্য বিনা মূল্যে চিকিৎসা, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা, আইনি সহায়তা এবং দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে।

একই সঙ্গে শিশু নির্যাতনের মামলা কোথায় আছে, তদন্ত কত দিনে শেষ হচ্ছে, বিচার কত দিনে হচ্ছে এবং রায় বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না- এসব বিষয়ে নিয়মিত ও নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রকাশ করা দরকার। জবাবদিহি ছাড়া শিশু সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি কেবল কাগজেই থেকে যাবে।

শিশুর কান্না যেন রাষ্ট্রের কাছে পৌঁছায়

সাতকানিয়ার শিশুর সামনে এখন দীর্ঘ ও কঠিন সময়। শারীরিক চিকিৎসার পাশাপাশি তার প্রয়োজন নিরাপদ পরিবেশ, মানসিক সমর্থন এবং এমন মানুষ, যারা তাকে অপরাধের জন্য দায়ী করবে না। তার পরিবারকে আইনি সহায়তা ও নিরাপত্তা দিতে হবে। সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার পরিচয় গোপন রেখে দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে হবে।

মামলার তদন্ত দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে শেষ করতে হবে। অভিযোগে যাদের নাম এসেছে, প্রত্যেকের ভূমিকা আইন অনুযায়ী তদন্ত করতে হবে। প্রমাণ নষ্ট, সাক্ষীকে প্রভাবিত করা কিংবা ভুক্তভোগী পরিবারকে ভয় দেখানোর চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে হবে। আদালতে অপরাধ প্রমাণিত হলে অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী সর্বোচ্চ আইনসম্মত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

রাষ্ট্রের কাছে আমাদের দাবি, এই মামলাকে আর দশটি মামলার মতো সময়ের স্রোতে হারিয়ে যেতে দেবেন না। এটাকে আইনের যথাযথ প্রয়োগ, শিশুর মর্যাদা রক্ষা এবং বিচারিক জবাবদিহির একটি দৃষ্টান্তে পরিণত করুন। তবে কোনো একটি মামলায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেই দায়িত্ব শেষ হবে না। সব শিশুর জন্য নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে রাষ্ট্রের উন্নয়ন, অগ্রগতি কিংবা সভ্যতার দাবির সামনে বড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়। যে শিশু আজ ভয় নিয়ে ঘুমাতে যায়, সে আগামী দিনের নাগরিক। তার মনে যদি ছোটবেলা থেকেই মানুষের প্রতি অবিশ্বাস, সমাজের প্রতি ভয় এবং রাষ্ট্রের প্রতি অনাস্থা জন্ম নেয়, তাহলে আমরা কেমন ভবিষ্যৎ তৈরি করছি?

শিশুরা আমাদের করুণা চায় না। তারা অধিকার চায়। তারা এমন সমাজ চায়, যেখানে তাদের নিরাপত্তা কারও দয়া বা সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করবে না। তারা এমন রাষ্ট্র চায়, যেখানে অপরাধীকে ভয় পেতে হবে আইনের, আর শিশু নির্ভয়ে বাঁচতে পারবে।
শিশু নির্যাতনকারীর বিচার করুন। অপরাধ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকর করুন। অন্তত একটি মামলায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন, যাতে অপরাধীরা বুঝতে পারে- এদেশে শিশুর ওপর নির্যাতন করে পার পাওয়ার সুযোগ নেই।

শিশুর জন্য দেশকে অনিরাপদ করে দেবেন না। শিশুর শৈশব কেড়ে নেওয়া মানে শুধু তার বর্তমানকে ক্ষতিগ্রস্ত করা নয়। তার ভবিষ্যৎকেও বিপন্ন করা। রাষ্ট্রের দায়িত্ব সেই ভবিষ্যৎ রক্ষা করা। আমরা এমন বাংলাদেশ চাই, যেখানে কোনো শিশুকে চেতনানাশক খাইয়ে ধর্ষণের শিকার হতে হবে না, যেখানে নির্যাতনের অভিযোগ চাপা পড়ে যাবে না, যেখানে বিচার পেতে পরিবারকে অসহায়ভাবে অপেক্ষা করতে হবে না।

আমরা শিশুবান্ধব দেশ চাই। যে দেশে শিশু নিরাপদ থাকবে, তার কথা শোনা হবে, তার মর্যাদা রক্ষা করা হবে এবং তার ওপর নির্যাতনকারীর বিচার নিশ্চিত হবে।

শিশুর নিরাপত্তা কোনো অনুগ্রহ নয়- এটা তার অধিকার। আর সেই অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।


Loading...
Loading...

মতামত- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: