
হবিগঞ্জ জেলা সদর থেকে লাখাই হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এ সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এত দিন সড়কটি সংকীর্ণ হওয়ায় যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলে নানা ভোগান্তি পোহাতে হতো। বিশেষ করে বর্ষাকালে এবং জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনে সিলেট ও ঢাকামুখী রোগীদের যাতায়াতে সমস্যার সৃষ্টি হতো। সড়ক উন্নয়নের কাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয় মানুষের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।
সড়কটি উন্নত হলে লাখাই ও পার্শ্ববর্তী হাওরাঞ্চলের কৃষিপণ্য পরিবহন আরও সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এসব এলাকার উৎপাদিত ধান, মাছসহ বিভিন্ন পণ্য দ্রুত দেশের বিভিন্ন বাজারে পৌঁছানো সম্ভব হবে। এতে কৃষকেরা তাঁদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার সুযোগ পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে এলাকায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার সম্ভাবনাও বাড়বে। এর মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সড়কটি আধুনিক মানে নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যান চলাচল নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে সড়কের মাঝখানে বিভাজক, প্রয়োজনীয় কালভার্ট এবং পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
সড়কটি উন্নীত হলে লাখাই থেকে হবিগঞ্জ জেলা সদরে যাতায়াত আরও সহজ হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের মতে, উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা এ অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ, কৃষির বিকাশ এবং সামগ্রিক আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মানসম্মতভাবে নির্মাণকাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।