
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের প্রধান দুটি দাবি হলো—চকরিয়া রেলস্টেশনে মহানগর এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি নিশ্চিত করা এবং চকরিয়াসহ আশপাশের আট উপজেলার যাত্রীদের জন্য ট্রেনে আসন বরাদ্দ রাখা।
বক্তারা বলেন, চকরিয়া, পেকুয়া, কুতুবদিয়া, মহেশখালী, লামা ও আলীকদমসহ আশপাশের উপজেলার বিপুলসংখ্যক মানুষ শিক্ষা, চিকিৎসা ও অন্যান্য প্রয়োজনে ঢাকায় যাতায়াত করেন। এসব মানুষের যাতায়াত সহজ করতে চকরিয়া রেলস্টেশনে আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি জরুরি। পাশাপাশি স্থানীয় যাত্রীদের জন্য আসন বরাদ্দ নিশ্চিত করা হলে তাঁরা রেলসেবার সুফল ভোগ করতে পারবেন। এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।
মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে কক্সবাজার জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ও মাতামুহুরী উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইউসুফ বদরী বলেন, চকরিয়ায় মহানগর এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি না থাকায় চকরিয়াসহ আশপাশের আট উপজেলার বিপুলসংখ্যক মানুষ রেলসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। জনস্বার্থে অবিলম্বে চকরিয়ায় ট্রেনটির যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা করতে হবে। এ বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। অন্যথায়, ট্রেনটির যাত্রাবিরতি নিশ্চিত করার দাবিতে আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি।
আয়োজকেরা বলেন, চকরিয়ায় আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি নিশ্চিত করা হলে আশপাশের আট উপজেলার মানুষের যাতায়াত আরও সহজ ও সাশ্রয়ী হবে। তাই জনস্বার্থে দাবিগুলো বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
এদিকে, মানববন্ধনের খবর পেয়ে সকালে রেলওয়ে পুলিশের কক্সবাজার জিআরপি ক্যাম্পের ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল চকরিয়া রেলস্টেশনে পৌঁছায়। তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনের প্রতি তাঁদের সমর্থন রয়েছে। তবে কেউ যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি বা রেলওয়ের সম্পদ বিনষ্ট করতে না পারে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
মানববন্ধনে চকরিয়া থানা-পুলিশের একটি দলসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।