জয়পুরহাটের কালাইয়ে এক তরুণীকে সিঁদুর দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই নারীসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বাড়িঘর ভাঙচুর, মারধর ও নগদ টাকা-স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৬ লাখ টাকার মালামাল লুটের অভিযোগ উঠেছে। তবে অপর পক্ষও পাল্টা হামলার অভিযোগ করেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে কালাই উপজেলার পুনট ইউনিয়নের মালিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন সুবর্ণা (৪০), মলিনা রানী (৫৫), গোবিন্দ (৪৫), জয় (২৫) ও চিচোরুন (৪৬)। তাঁদের মধ্যে সুবর্ণা, মলিনা রানী ও গোবিন্দ এক পক্ষের এবং জয় ও চিচোরুন অপর পক্ষের বলে জানা গেছে।
আহতদের মধ্যে তিনজনকে জয়পুরহাট জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গুরুতর আহত চিচোরুনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পল্লবী নামের এক তরুণীকে শারদীয় দুর্গাপূজার বিজয়া দশমীতে সিঁদুর দিতে চেয়েছিলেন দোলন নামের এক যুবক। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। পরে সেই বিরোধ সংঘর্ষে রূপ নেয়।
দোলনের পক্ষের লোকজনের অভিযোগ, প্রতিপক্ষ তাঁদের তিনটি বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে। এ সময় একজনের পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়েছে এবং আরও একজন আহত হয়েছেন বলে তাঁদের দাবি। তাঁদের আরও অভিযোগ, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৬ লাখ টাকার মালামাল লুট করা হয়েছে।
অন্যদিকে, পল্লবীর পক্ষের লোকজনের দাবি, প্রতিপক্ষ তাঁদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এতে তাঁদের পক্ষের তিনজন আহত হয়েছেন।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট ও হামলার অভিযোগগুলোর বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম বলেন, আমরা ঘটনাটি শুনেছি। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।