
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট জানিয়েছে, দুই দেশের সংশ্লিষ্ট সূত্র বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে আলোচনার বিষয়বস্তু কিংবা কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। বৈঠকে আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিরাও ছিলেন বলে জানা গেছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ ইসরায়েলের ওভদা বিমানঘাঁটিতে নেতানিয়াহু ও হেগসেথের মধ্যে বৈঠকটি হয়। ঘাঁটিটিতে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন রয়েছে। সফরকালে সেখানে অবস্থানরত মার্কিন সেনাসদস্যদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন হেগসেথ বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।
সফর শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি ছবি প্রকাশ করেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। ছবির সঙ্গে দেওয়া পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমাদের দেশের সেরারা, এক ঐতিহাসিক মিশনে। ঈশ্বর আপনাদের সহায় হোন।’
হেগসেথের এই সফর এমন সময়ে অনুষ্ঠিত হলো, যখন ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা এবং ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা চলছে। ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান আবার শুরু করার সম্ভাবনা দুই দেশের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে বলে প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। তবে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
অন্যদিকে, ইসরায়েলের নির্বাচন সামনে থাকায় বৈঠকটির রাজনৈতিক গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের মাত্র আট দিন আগে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর অঘোষিত সফর দুই দেশের নিরাপত্তা সহযোগিতা ও আঞ্চলিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।
তবে বৈঠকের আলোচ্যসূচি, ইরান বিষয়ে সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত কিংবা সফরের সঙ্গে ইসরায়েলের নির্বাচনের সরাসরি কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না—এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।