
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে নগরীর বয়রা এলাকায় ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির মিলনায়তনে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামদের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি ১২২৭তম দলের প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
ইমামদের ভাতার আওতায় আনার বিষয়ে বর্তমান সরকারের পদক্ষেপকে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, সমাজের নেতা হিসেবে দেশের উন্নয়নে ইমামদের ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে। পাশাপাশি জনগণকে সচেতন করতে এবং বিভ্রান্তি দূর করতে সঠিক তথ্য প্রচারের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি, খুলনার উপপরিচালক কৃষিবিদ এবিএম তবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন, খুলনার বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ মহীউদ্দিন মজুমদার, স্বাস্থ্য প্রশিক্ষক ও মেডিকেল অফিসার ডা. আবুল কাশেম মো. মোস্তফা এবং সহকারী পরিচালক আল ফারুক। প্রশিক্ষণার্থীদের পক্ষে বক্তব্য দেন ইমাম মো. আব্দুল্লাহ।
উল্লেখ্য, ১২২৭তম নিয়মিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে খুলনা বিভাগের সাত জেলার ১০২ জন ইমাম অংশ নেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন প্রশাসক।
এদিকে, রোববার রাতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের যাত্রা শুরু করেছেন। নতুন বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে সুন্দর বন্ধন তৈরি হচ্ছে, তা শিগগিরই দেশকে শান্তির পথে এগিয়ে নেবে।
বিভিন্ন মন্দিরের সাজসজ্জা ও ভক্তদের আনন্দঘন উপস্থিতির প্রশংসা করে তিনি বলেন, এবার দুর্গাপূজার আয়োজন সবখানেই সুন্দর হয়েছে। এমন আনন্দঘন পরিবেশে সফলভাবে দুর্গোৎসব সম্পন্ন করতে আগামী দিনেও কেসিসি পাশে থাকবে।
প্রশাসক গীতাশ্রয়ী সেবা সংঘ, ক্রিসেন্ট জুট মিলস মন্দির, উকিলবাড়ি সার্বজনীন পূজামন্দির ও প্লাটিনাম জুবিলি জুট মিলস মন্দিরসহ খালিশপুর ও দৌলতপুর থানা এলাকার বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি মন্দিরে আসা ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এ সময় স্থানীয় সমাজসেবক ও সাবেক বিএনপি নেতা মোশারফ হোসেন, বিএনপি নেতা লিয়াকত হোসেন লাভলু, সাজ্জাদ হোসেন তোতন, মাসুদুর রহমান রানা, অ্যাডভোকেট ফজলে হালিম লিটন, ইউসুফ হারুন মজনু, নিজামুর রহমান লালু, আব্দুর রহমান ডিনু, কেসিসির ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অমিত কান্তি ঘোষসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও পূজামণ্ডপ কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।