কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বিভিন্ন দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম। শনিবার রাতে তিনি শহরের গোপাল জিউর মন্দির, কালীমন্দির, হরিজন মন্দিরসহ কয়েকটি পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেন। এ সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।
পূজার শুরু থেকে প্রতিমা বিসর্জন পর্যন্ত উৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, সবাই যেন নির্বিঘ্নে ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদ্যাপন করতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা রাখতে হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, পূজার শেষ পর্যায়ে দুর্বৃত্তরা প্রতিমা ভাঙচুরের চেষ্টা করে সরকারকে বিব্রত করার অপচেষ্টা চালিয়েছে। অতীতেও প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় পূজামণ্ডপগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি দলীয় নেতা-কর্মীরাও নিরাপত্তায় কাজ করছেন বলে জানান তিনি।
মতবিনিময়কালে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা তাঁদের শ্মশান ও শ্মশানঘাটের সড়ক সংস্কার এবং হরিজন মন্দির সংস্কারের দাবি জানান। জবাবে মন্ত্রী এসব কাজের পাশাপাশি মন্দিরের প্রতিরক্ষাদেয়াল নির্মাণের আশ্বাস দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম মামুনুর রশিদ, ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী মো. শাহিন, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভিপি মুজিবুর রহমান, গোপাল জিউর মন্দির কমিটির সভাপতি দুলাল চন্দ্র সাহা, পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি চন্দন কুমার পালসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ভৈরবে ২৪টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এ বছর চারটি বেড়ে মোট ২৮টি মণ্ডপে পূজা উদ্যাপিত হচ্ছে।