
শনিবার (১৭ অক্টোবর) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ব্যাটালিয়নটির পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, এসআরবি-৬-এর দায়িত্বাধীন আটটি জেলায় মোট ৫ হাজার ৩৫৪টি পূজামণ্ডপ রয়েছে। পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত ১৩ অক্টোবর থেকে বিশেষ টহল কার্যক্রম চলছে। জেলা ও উপজেলাভিত্তিক নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রতিটি উপজেলায় ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁরা নিজ নিজ এলাকার টহল দলের কার্যক্রম তদারক করছেন।
নিরাপত্তাব্যবস্থার প্রথম স্তরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের পাশাপাশি শহর ও উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। এসব চেকপোস্টে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। দ্বিতীয় স্তরে সাদাপোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি এবং তৃতীয় স্তরে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিতে রিজার্ভ ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া দুর্গাপূজা ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে সাইবার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। এসআরবি সদর দপ্তরে কেন্দ্রীয়ভাবে এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। অনলাইনে উসকানিমূলক তৎপরতা বা সম্ভাব্য নাশকতার ইঙ্গিত পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার লক্ষ্যেই এ নজরদারি চালানো হচ্ছে।
ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর সমন্বয় সভা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আয়োজক কমিটি, স্থানীয় জনগণ, গণমাধ্যম ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সম্মিলিত সহযোগিতায় এবারও শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদ্যাপন সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছে। আগামী ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে পূজার কার্যক্রম শেষ হবে।