
শনিবার (১৭ অক্টোবর) ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সংস্থাটির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ।
তিনি জানান, রিসোর্টটির নিচতলায় ছিল রেস্তোরাঁ এবং ওপরের দুই তলায় পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা। প্রয়োজনীয় সনদ না থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। নিকটতম ফায়ার স্টেশন থেকে ঘটনাস্থল ছিল প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে। পরে কর্মীরা গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনায় ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ১০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
অগ্নিকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে মহাপরিচালক বলেন, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।
কক্সবাজারসহ বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় অনুমোদনহীন ও দাহ্য উপকরণে তৈরি রিসোর্টগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি মোকাবিলায় সতর্কতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
পুরান ঢাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় সরু রাস্তা ও ভবনগুলোর মধ্যে অপর্যাপ্ত দূরত্ব অগ্নিনির্বাপণে বড় বাধা বলে উল্লেখ করেন মহাপরিচালক। এসব এলাকায় দ্রুত পৌঁছাতে বিশেষ তিন চাকার যান এবং মোটরসাইকেলে হোস পাইপ বহনের মতো বিকল্প ব্যবস্থাও বিবেচনা করা হচ্ছে।
রিসোর্টটির অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিরাপত্তাব্যবস্থা ও নজরদারির ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও আগুনের প্রকৃত কারণ তদন্তের পরই জানা যাবে।