৪ থেকে ৮ বছরের মেয়েদের এইচপিভি টিকা দেওয়ার সুপারিশ ডব্লিউএইচওর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

বিশ্বব্যাপী টিকাদানের হার বৃদ্ধি এবং জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধে বড় ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থাটির টিকাদানবিষয়ক কৌশলগত বিশেষজ্ঞ

2026-10-14T17:34:30+00:00
2026-10-14T17:34:30+00:00
  বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬,
৩০ আশ্বিন ১৪৩৩
 
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
আন্তর্জাতিক
জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধে নতুন বার্তা
৪ থেকে ৮ বছরের মেয়েদের এইচপিভি টিকা দেওয়ার সুপারিশ ডব্লিউএইচওর
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৪ পিএম 
৪ থেকে ৮ বছরের মেয়েদের এইচপিভি টিকা দেওয়ার সুপারিশ ডব্লিউএইচওর
বিশ্বব্যাপী টিকাদানের হার বৃদ্ধি এবং জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধে বড় ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থাটির টিকাদানবিষয়ক কৌশলগত বিশেষজ্ঞ উপদেষ্টা গোষ্ঠী (সেজ)-এর বিশেষজ্ঞরা সুপারিশ করেছেন যে, যদি টিকার সার্বিক আওতা বাড়াতে সহায় হয়, তবে দেশগুলো ৪ থেকে ৮ বছর বয়সি মেয়েদেরও নিয়মিত হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস (এইচপিভি) টিকাদানের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে।

জেনেভায় অনুষ্ঠিত ডব্লিউএইচওর সেজ সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও নতুন দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

প্রতিবেদন থেকে পাওয়া প্রধান তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পিছিয়ে: সেজ-এর চেয়ারম্যান অ্যান্থনি স্কট জানান, বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৬৫টি দেশে এইচপিভি টিকা চালু হলেও বর্তমানে টিকাদানের হার মাত্র ৩৩ শতাংশ। এটি ডব্লিউএইচওর নির্ধারিত ৯০ শতাংশ বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেক কম।

এক ডোজ টিকাই সবচেয়ে কার্যকর: ডব্লিউএইচওর মতে, ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সি মেয়েরা এইচপিভি টিকাদানের ক্ষেত্রে সবসময়ই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে। সর্বশেষ গবেষণালব্ধ তথ্য পর্যালোচনার পর বিশেষজ্ঞরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সি মেয়েদের এক ডোজ টিকা দেওয়ার পদ্ধতিই সবচেয়ে কার্যকর।

টিকার বয়সসীমা ও আওতা সম্প্রসারণের দিকনির্দেশনা: সেজ সুপারিশ করেছে যে, এক ডোজ এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচিকে কয়েকটি ধাপে সম্প্রসারিত করা যেতে পারে—
১. ৪ থেকে ৮ বছর বয়সি মেয়েদের নিয়মিত টিকাদান বিবেচনা করা।
২. বাদ পড়া ২৫ বছর পর্যন্ত এবং পরবর্তীতে ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত নারীদের টিকা নেওয়ার সুযোগ দেওয়া।
৩. ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সি ছেলেদের নিয়মিত টিকাদান এবং পরবর্তীতে ২০ বছর পর্যন্ত তরুণ ও পুরুষদের বাদ পড়া টিকা গ্রহণের সুযোগ দেওয়া।

জরায়ুমুখ ক্যানসারের ভয়াবহতা: এইচপিভির দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণের কারণে জরায়ুমুখ ক্যানসার হয়ে থাকে। বিশ্বজুড়ে নারীদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ এই ক্যানসার। ২০২৪ সালে বিশ্বব্যাপী প্রায় ৬ লাখ ৪ হাজার নতুন রোগী শনাক্ত হন এবং প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার নারী এতে প্রাণ হারান। সাব-সাহারান আফ্রিকা, দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রায় ২৬টি দেশে নারীদের ক্যানসারজনিত মৃত্যুর প্রধান কারণ জরায়ুমুখ ক্যানসার।

অগ্রগতি: ডব্লিউএইচওর টিকা বিভাগের প্রধান কেট ও’ব্রায়েন জানান, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ বিশ্বজুড়ে ৯ কোটি ৫০ লাখের বেশি মেয়ে এইচপিভি টিকা পেয়েছে। বর্তমানে আটটি এইচপিভি টিকা আন্তর্জাতিক অনুমোদন প্রাপ্ত।


Loading...
Loading...

আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: