
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের আঁধারে একদল দুর্বৃত্ত নদীতে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন করে। পরে বাঘাইড়, মৃগেল, চিংড়ি, বাইম, গুলশা, মলা, ঢেলা ও পুঁটিসহ বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির মরা মাছ নদীতে ভেসে ওঠে। স্থানীয় বাসিন্দারা মশারি ও জাল দিয়ে এসব মাছ সংগ্রহ করেন।
মাছ সংগ্রহ করতে আসা জয়নাল মিয়া ও তাঁর ছেলে জানান, প্রতিবছরই নদীতে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের ঘটনা ঘটে। তাঁরা এসব মাছ বাড়িতে নিয়ে রান্না করে খান। তবে এভাবে মাছ নিধনকে অন্যায় উল্লেখ করে তাঁরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
স্থানীয় বাসিন্দা তামিম ও নাজমুল হাসান বলেন, শুষ্ক মৌসুমে প্রায়ই এ ধরনের ঘটনা ঘটে। প্রশাসনকে জানিয়েও কার্যকর প্রতিকার পাওয়া যায়নি। এভাবে মাছ নিধন অব্যাহত থাকলে নদীর জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে।
কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ সাকুর আহমেদ বলেন, বিষক্রিয়ায় মারা যাওয়া মাছ রান্না করে খেলেও স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। এতে কিডনি ও স্নায়ুতন্ত্র আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই বিষ প্রয়োগে মারা গেছে বলে সন্দেহ হয়, এমন মাছ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয় বণিক বলেন, নদীতে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।