৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধের পর মুক্ত চুয়েট ভিসি, বের হতেই ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগানে উত্তাল ক্যাম্পাস

চুয়েট সংবাদদাতা

শিক্ষা

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে প্রায় ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর মুক্ত করা হয়েছে।

2026-10-13T19:37:17+00:00
2026-10-13T19:37:17+00:00
  বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬,
২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
 
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
শিক্ষা
৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধের পর মুক্ত চুয়েট ভিসি, বের হতেই ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগানে উত্তাল ক্যাম্পাস
চুয়েট সংবাদদাতা
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩৭ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে প্রায় ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর মুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটের দিকে পুলিশি পাহারায় তাঁকে ক্যাম্পাস থেকে বের করে আনা হয়। এ সময় উপাচার্যকে লক্ষ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

উপাচার্যকে বের করে আনার সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার মাসুদ আলম। এ সময় তাঁর সঙ্গে অবরুদ্ধ থাকা অন্য ব্যক্তিরাও মুক্ত হন। সিভিল সার্জনও এ প্রক্রিয়ায় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে ভবনে প্রবেশ করেন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। তবে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে পড়েন তিনি।

শিক্ষার্থীরা উপাচার্যকে ভবন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি ভবন ত্যাগ না করায় শিক্ষার্থীরা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ভবনে তালা দেন। এতে উপাচার্যসহ সেখানে অবস্থানরত ব্যক্তিরা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।

গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ নিয়োগের প্রতিবাদে এবং সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শাটডাউন কর্মসূচি শুরু হয়।

আন্দোলনে শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা সমিতি ও কর্মচারীদের কর্মবিরতির পাশাপাশি ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করেন শিক্ষার্থীরা। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে।

দীর্ঘদিন ধরে চলা এ আন্দোলনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয় শিক্ষক সমিতিও।

দীর্ঘদিনের আন্দোলনের মধ্যে উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করার ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। পরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও সিভিল সার্জনের উপস্থিতিতে উপাচার্যসহ অবরুদ্ধ ব্যক্তিদের মুক্ত করা হয়।

তবে উপাচার্যকে মুক্ত করার পরও বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান অচলাবস্থা নিরসনে কোনো সমাধান হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।


Loading...
Loading...

শিক্ষা- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: