গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে আল আমিন মিয়া (১৫) নামে এক কিশোর ও তাসলিমা আক্তার তাজমিন (২৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের অসম্মতির কারণে তাঁরা কীটনাশক ট্যাবলেট সেবন করেছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। পরে তাঁদের গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে দুজনের মৃত্যু হয়।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আল আমিনের মরদেহ তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
নিহত আল আমিন সাঘাটা উপজেলার পূর্ব রাঘবপুর গ্রামের আজাদুল ইসলামের ছেলে। তাসলিমা আক্তার তাজমিন পদুম শহর জোর ডোবা গ্রামের ফরহাদ মিয়ার স্ত্রী এবং দক্ষিণ শ্যামপুর গ্রামের সাইফুল ইসলামের মেয়ে। তিনি এক সন্তানের মা ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আল আমিন ও তাসলিমার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত রবিবার (১১ অক্টোবর) বিয়ের দাবিতে তাসলিমা আল আমিনের বাড়িতে যান। এ সময় আল আমিনের পরিবারের সদস্যরা তাঁদের সম্পর্ক মেনে নেননি বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার (১২ অক্টোবর) আল আমিন ও তাসলিমা জমিতে পোকা দমনে ব্যবহৃত ট্যাবলেট সেবন করেন। পরে তাঁদের উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কিছুক্ষণের ব্যবধানে দুজনের মৃত্যু হয়।
এরপর আল আমিনের স্বজনেরা তাঁর মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যান। অন্যদিকে তাসলিমার মরদেহ হাসপাতালে ছিল বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ পূর্ব রাঘবপুর গ্রামের বাড়ি থেকে আল আমিনের মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় দুই পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দরূল হুদা বলেন, খবর পেয়ে আল আমিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গাইবান্ধা মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুরো ঘটনা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।