ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রতীক পাওয়ার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। আগামী ২৯ অক্টোবরের ভোটকে সামনে রেখে এখন সরগরম হয়ে উঠছে ঠাকুরগাঁওয়ের নির্বাচনী মাঠ।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) জেলা নির্বাচন অফিসের সম্মেলন কক্ষে প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম। একই সঙ্গে প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে প্রচার চালানো এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এবার ঠাকুরগাঁও-১ আসনে পাঁচটি দলের পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন—বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন, জামায়াতে ইসলামীর দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খাদেমুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আব্দুল আলীম নিজামী এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।
প্রতীক অনুযায়ী বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন পেয়েছেন ধানের শীষ, জামায়াতের দেলাওয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের খাদেমুল ইসলাম হাতপাখা, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আব্দুল আলীম নিজামী বটগাছ এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক পেয়েছেন ডাব প্রতীক।
প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই প্রার্থীরা দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে প্রচারে নামছেন। নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৭ অক্টোবর সকাল ৮টা পর্যন্ত প্রচার-প্রচারণা চালানো যাবে। এরপর বন্ধ থাকবে সব ধরনের নির্বাচনী প্রচার।
আগামী ২৯ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আসনটিতে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন এবং ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৮৫টি।
এর আগে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ৭ অক্টোবর বিএনপির অপর প্রার্থী ওবায়দুল্লাহ মাসুদ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। ফলে পাঁচ দলের পাঁচজন প্রার্থী নিয়ে চূড়ান্ত হয় ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
প্রতীক বরাদ্দের পর এখন মূল লড়াই ভোটারদের মন জয় করার। প্রচারের মাঠে কে কতটা প্রভাব ফেলতে পারেন এবং ২৯ অক্টোবর ভোটের ফল কার পক্ষে যায়—সেদিকেই নজর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ভোটারদের।