চুয়েটে বেতন নিয়ে টানাপোড়েন, ব্যাংকের সামনে অবস্থানের পর মিলল পাওনা

চুয়েট সংবাদদাতা

শিক্ষা

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সেপ্টেম্বর মাসের বেতন ও উৎসব ভাতা আটকে রাখার নির্দেশকে কেন্দ্র

2026-10-07T16:51:38+00:00
2026-10-07T16:51:38+00:00
  বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬,
২৩ আশ্বিন ১৪৩৩
 
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
শিক্ষা
চুয়েটে বেতন নিয়ে টানাপোড়েন, ব্যাংকের সামনে অবস্থানের পর মিলল পাওনা
চুয়েট সংবাদদাতা
বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫১ পিএম 
সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখার সামনে অবস্থান নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সেপ্টেম্বর মাসের বেতন ও উৎসব ভাতা আটকে রাখার নির্দেশকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবিতে বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখার সামনে অবস্থান নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। পরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, সাধারণত প্রতি মাসের ৩০ বা ৩১ তারিখের মধ্যে চুয়েটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করা হয়। তবে সেপ্টেম্বর মাসের বেতন ও উৎসব ভাতা আটকে রাখার নির্দেশ দেওয়া হলে বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়। মঙ্গলবার রাতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত খবর প্রকাশের পর বুধবার সকালে ব্যাংকের সামনে অবস্থান নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরা।

একপর্যায়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ব্যাংকের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে প্রথমে কর্মচারীদের এবং পর্যায়ক্রমে কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়।

চুয়েট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, “কোনো সময় আমাদের বেতন বন্ধ হয়নি। অথচ নতুন উপাচার্য বেতন বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে আমাদের ন্যায্য পাওনা আদায় করে নিয়েছি।”

এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখার ব্যবস্থাপক জয়ন্ত ভৌমিককে ই-মেইল করে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম।

মঙ্গলবার দেওয়া এক চিঠিতে উপাচার্য উল্লেখ করেন, তাঁর পূর্বানুমোদন ছাড়া ব্যাংকে বেতনের বিল পাঠানো ‘অননুমোদিত ও বেআইনি’। চুয়েট আইন-২০০৩-এর ধারা ১৩(৭) অনুযায়ী উপাচার্যের সুস্পষ্ট অনুমোদন ছাড়া কোনো আর্থিক লেনদেন আইনত অবৈধ বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

চিঠিতে আরও বলা হয়, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বেতন-ভাতার অর্থ ছাড় করলে তাদেরও বেআইনি আর্থিক লেনদেনে সহায়তার জন্য যৌথভাবে দায়ী করা হবে। পাশাপাশি নির্দেশ অমান্যকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়।

সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখার ব্যবস্থাপক জয়ন্ত ভৌমিক বলেন, “প্রতি মাসের মতো গত মাসেও হিসাব নিয়ন্ত্রক ও উপহিসাব নিয়ন্ত্রকের স্বাক্ষর করা শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতার শিট আমরা গ্রহণ করেছি। কিন্তু উপাচার্য চিঠি দিয়ে বেতন-ভাতা স্থগিত রাখতে বলেছেন। তবে বুধবার সকালে আমরা বেতন দিয়ে দিয়েছি।”

এ বিষয়ে চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের বক্তব্য জানতে ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


Loading...
Loading...

শিক্ষা- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: