বিয়ের পিঁড়িতে কবে কেয়া? জানালেন নিজের ‘বিয়ের রেসিপি’, মুখ খুললেন শুভও

বিনোদন ডেস্ক

বিনোদন

প্রেম-বিরহের গল্পে পর্দা ভরে গেলেও বিয়ের পরের জীবনটা কেমন—সেই গল্প যেন অনেকটাই আড়ালে। এবার সেই আড়ালের গল্পই সামনে আনছেন আরিফিন

2026-10-06T16:06:52+00:00
2026-10-06T16:13:31+00:00
  বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬,
২২ আশ্বিন ১৪৩৩
 
বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
বিনোদন
বিয়ের পিঁড়িতে কবে কেয়া? জানালেন নিজের ‘বিয়ের রেসিপি’, মুখ খুললেন শুভও
বিনোদন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:০৬ পিএম  আপডেট: ০৬.১০.২০২৬ ৪:১৩ পিএম
সংগৃহীত ছবি
প্রেম-বিরহের গল্পে পর্দা ভরে গেলেও বিয়ের পরের জীবনটা কেমন—সেই গল্প যেন অনেকটাই আড়ালে। এবার সেই আড়ালের গল্পই সামনে আনছেন আরিফিন শুভ ও কেয়া পায়েল। তরুণ নির্মাতা জাহিদ প্রীতমের নতুন ওয়েব ফিল্ম ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’-এ উঠে এসেছে বিয়ের পরের সম্পর্ক, টানাপোড়েন, ভালোবাসা, দায়িত্ব আর একসঙ্গে পথচলার গল্প।

আগামী বুধবার মুক্তি পাচ্ছে ওয়েব ফিল্মটি। এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় আগারগাঁওয়ের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে হয়ে গেল বিশেষ প্রদর্শনী। সেখানে হাজির ছিলেন ছবির ‘পাত্র-পাত্রী’ আরিফিন শুভ ও কেয়া পায়েল। আর তাদের কথায় জমে ওঠে দাম্পত্য, বিয়ে ও সম্পর্ক নিয়ে নানা মজার আলোচনা।

‘হ্যাপিলি ম্যারিড’-এর বিষয় যেহেতু দাম্পত্য জীবন, তাই আরিফিন শুভর কাছে জানতে চাওয়া হয়—বিবাহিত জীবনে সুখী থাকার রেসিপি কী?

হাসতে হাসতে শুভর উত্তর, সুখী দাম্পত্যের জন্য সপ্তাহে একবার করে ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ দেখতে হবে!

তার ভাষায়, শুক্রবার সকালে ঘুম থেকে উঠে একবার সিনেমাটি দেখলেই নাকি দাম্পত্য জীবন সুখে কাটবে।

তবে মজার উত্তর দেওয়ার পর বাস্তবতা নিয়েও কথা বলেন এই অভিনেতা। তিনি বলেন, পর্দার বিয়ের সঙ্গে বাস্তব জীবনের বিয়ের আকাশ-পাতাল পার্থক্য। সিনেমাটিতে দাম্পত্য জীবনের গুরুত্বপূর্ণ নানা বিষয় তুলে ধরা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

শুভর ভাষায়, ‘দাম্পত্যজীবন শুরু হয় হ্যাপি শব্দটি ফুরিয়ে গেলে।’ আর এই জায়গা থেকেই সিনেমাটির গল্প দর্শকের সামনে নতুন কিছু তুলে ধরবে বলে আশা তার।

‘হ্যাপিলি ম্যারিড’-এর মাধ্যমে প্রথমবার ওয়েব ফিল্মে অভিনয় করেছেন কেয়া পায়েল। তাই কাজটি নিয়ে তার উচ্ছ্বাসও কম নয়।

কেয়া বলেন, অসাধারণ একজন পরিচালক এবং আরিফিন শুভর মতো সহশিল্পীকে পাশে পাওয়া তার জন্য আনন্দের। পুরো প্রজেক্টটিকে নিজের কাছে ‘স্বপ্নের মতো’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

নিজের চরিত্র প্রসঙ্গে কেয়া জানান, চরিত্রটি নির্মাতার ভাবনা অনুযায়ী ফুটিয়ে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। এখন দর্শক সিনেমাটি দেখবেন এবং তার কাজের বিচার করবেন—এটাই তার প্রত্যাশা।

কেয়া পায়েলের কথায়, মানুষ সাধারণত বিয়ের আগের প্রেম আর বিয়ের আয়োজন নিয়েই বেশি ভাবেন। কিন্তু বিয়ের পরের অধ্যায়টি কেমন হবে—সেই প্রশ্নটি অনেক সময় আড়ালেই থেকে যায়।

আর ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ সেই পরের অধ্যায়ের গল্পই বলছে।

তার ভাষায়, বিয়ের পর ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ হয়ে গেলেই গল্প শেষ নয়। বরং এরপরের জীবন, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং একসঙ্গে পথ চলার গল্পই সিনেমাটির মূল বিষয়।

বিয়ে নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথাও অকপটে জানিয়েছেন কেয়া পায়েল। তবে কবে বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন, সে উত্তরটা তিনি ছেড়ে দিয়েছেন ভাগ্যের হাতে।

তার ভাষায়, প্রত্যেক মানুষেরই নিজের বিয়ে নিয়ে কিছু ফ্যান্টাসি থাকে। বিয়ে জীবনের বড় সিদ্ধান্ত হওয়ায় অনেক বুঝেশুনেই সেটি করা উচিত বলে মনে করেন তিনি।

বাস্তবে নিজের বিয়ের প্রসঙ্গে কেয়া বলেন, তিনি ভাগ্যে বিশ্বাসী। ভাগ্যে যখন যার সঙ্গে বিয়ে লেখা থাকবে, তখন সেটি হয়েই যাবে। তবে জীবনসঙ্গী হিসেবে এমন একজন মানুষকে চান, যার সঙ্গে সারাজীবন একসঙ্গে থাকা যায়।

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে কেয়া পায়েলের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিষয় হলো বিশ্বাস ও সম্মান। তার মতে, বিয়ের পর সমস্যা আসবেই, সেটি অস্বাভাবিক কিছু নয়। বরং সেই সমস্যাগুলো একসঙ্গে মোকাবিলা করেই সারাজীবন পথ চলার নামই বিয়ে।

তার মতে, বিয়ের পর দায়িত্বও অনেক বেড়ে যায়। ভালোবাসা ও যত্নের পাশাপাশি সেই দায়িত্ব পালন করাটাও বড় চ্যালেঞ্জ।

‘হ্যাপিলি ম্যারিড’-এ বিয়ের পরের জীবনের এমনই একটি সুন্দর যাত্রা তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান কেয়া। চরিত্রটিকে নির্মাতার ভাবনা অনুযায়ী দর্শকের সামনে তুলে ধরতে নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন বলেও জানান তিনি।

আরিফিন শুভ ও কেয়া পায়েল ছাড়াও ওয়েব ফিল্মটিতে অভিনয় করেছেন দীপা খন্দকার, অভিনেতা-নির্মাতা সালাহউদ্দিন লাভলু, আরেফিন জিলানীসহ আরও অনেকে।

সব মিলিয়ে ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ শুধু বিয়ের গল্প নয়; বিয়ের পর ভালোবাসা কতটা বদলায়, দায়িত্ব কতটা বাড়ে আর সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে কতটা পথ একসঙ্গে হাঁটতে হয়—সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজবে এই ওয়েব ফিল্ম।


Loading...
Loading...

বিনোদন- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: