সকালে মায়ের চোখের আড়ালে বাড়ির বাইরে বেরিয়েছিল দুই বছরের শিশু আব্দুল্লাহ। কিছুক্ষণ পর তাকে দেখতে না পেয়ে শুরু হয় স্বজনদের ব্যাকুল খোঁজাখুঁজি। একপর্যায়ে বাড়ির পাশের পুকুরে ভেসে ওঠে শিশুটির নিথর দেহ। হাসপাতালে নেওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটেছে পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গেদু খান বাড়িতে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল্লাহ ওই এলাকার কালাম খানের ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে আব্দুল্লাহর মা খাদিজা পারিবারিক কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় পরিবারের সদস্যদের অগোচরে শিশুটি বাড়ির বাইরে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর ছেলেকে দেখতে না পেয়ে স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। বাড়ির আশপাশসহ বিভিন্ন স্থানে শুরু হয় খোঁজাখুঁজি।
অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাড়ির দক্ষিণ পাশের পুকুরে শিশুটিকে ভাসতে দেখেন পরিবারের সদস্যরা। দ্রুত তাকে পানি থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আব্দুল্লাহকে মৃত ঘোষণা করেন।
মাত্র দুই বছরের শিশুর এমন আকস্মিক মৃত্যুতে মুহূর্তেই ভারী হয়ে ওঠে গেদু খান বাড়ির পরিবেশ। প্রিয় সন্তানকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মা-বাবাসহ পরিবারের সদস্যরা। স্বজনদের আহাজারিতে সৃষ্টি হয় হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি।
আব্দুল্লাহর এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।