ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে বিদ্যুতের সংযোগ। ভেঙে যাওয়া একটি স্টিলের পিলার থেকে বৈদ্যুতিক তার ঝুলে থাকায় আতঙ্কে রয়েছেন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী, স্বজন ও স্থানীয়রা।
সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতাল চত্বরে থাকা পুরোনো স্টিলের বিদ্যুতের পিলারটি ভেঙে একদিকে হেলে রয়েছে। পিলার থেকে বের হওয়া একাধিক বৈদ্যুতিক তার ঝুলছে নিচের দিকে। তারগুলো কোনোভাবে প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে। এর নিচ দিয়েই প্রতিনিয়ত রোগী ও স্বজনদের চলাচল করছে। পাশাপাশি ওই এলাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশারও অবস্থান করতে দেখা যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও জনসমাগমপূর্ণ স্থানে দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক সংযোগ পড়ে থাকলেও তা মেরামত বা অপসারণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
হাসপাতালে সেবা নিতে আসা কামাল হোসেন বলেন, অনেক দিন আগে বিদ্যুতের পিলারটি ভেঙে যাওয়ার পর থেকেই তারগুলো এভাবে ঝুলছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আগেই এটি ঠিক করা প্রয়োজন। দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায় কে নেবে—সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
ধোবাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. প্রমিত পাল বলেন, তিনি হাসপাতালে যোগ দেওয়ার পর থেকেই পিলার ও তারগুলোকে এ অবস্থায় দেখে আসছেন।
এ বিষয়ে ধোবাউড়া পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম হিমেল কুমার সাহা বলেন, বিষয়টি গণপূর্ত বিভাগের আওতাধীন। ফলে এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুতের সরাসরি করণীয় নেই। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, হাসপাতালের মতো স্পর্শকাতর ও জনবহুল স্থানে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুতের পিলার ও ঝুলন্ত তার দ্রুত অপসারণ অথবা মেরামত করে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক।