
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাতে মোটরসাইকেলের চাবি তুলে দিয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোটরসাইকেল দেওয়ার ফলে নাগরিক সেবা আরও সহজ ও দ্রুত করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে যেসব সড়ক বা এলাকায় বড় যানবাহন সহজে প্রবেশ করতে পারে না, সেখানে মোটরসাইকেল ব্যবহার করে দ্রুত পৌঁছানো যাবে।
তিনি জানান, মোটরসাইকেল পাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মশক নিয়ন্ত্রণ, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবায় মাঠপর্যায়ে কাজ করবেন। এর ফলে এসব কার্যক্রমের তদারকি ও বাস্তবায়ন আরও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, মোটরসাইকেল বরাদ্দ নীতিমালা অনুযায়ী ২১ কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য হায়ার পারচেজ পদ্ধতিতে মোট ৪৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ২১টি মোটরসাইকেল কেনা হয়েছে।
এর মধ্যে রাজস্ব বিভাগের সাতজন, স্বাস্থ্য বিভাগের ছয়জন, প্রকৌশল বিভাগের চারজন, সচিব দপ্তরের দুজন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের একজন এবং প্রশাসক দপ্তরের একজন কর্মকর্তা-কর্মচারী মোটরসাইকেল পেয়েছেন।
বরাদ্দ পাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ১২০টি কিস্তিতে মোটরসাইকেলের মূল্য পরিশোধ করবেন। ঋণের পুরো অর্থ পরিশোধের পর মোটরসাইকেলগুলো তাঁদের নিজ নিজ নামে হস্তান্তর করা হবে।
ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েসসহ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।