
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাধারণ জ্বর, সর্দি-কাশি নিয়ে প্রতিদিনই অনেক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। রক্ত পরীক্ষার পর তাদের মধ্যে অনেকের ডেঙ্গু শনাক্ত হচ্ছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে রোগীর চাপও বেড়েছে। এর মধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাই বেশি।
এদিকে চিকিৎসক সংকটের কারণে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন রোগী ও স্বজনরা। বর্তমানে ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে মাত্র আটজন এমবিবিএস চিকিৎসক কর্মরত রয়েছেন। পর্যায়ক্রমে তারা রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন। প্রতিদিন শত শত রোগী চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসায় সীমিতসংখ্যক চিকিৎসকের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।
হাসপাতালে বর্তমানে কোনো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, শিশু বিশেষজ্ঞ ও কনসালট্যান্ট চিকিৎসক নেই। ফলে জটিল রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
রোগীদের দাবি, দ্রুত শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, শিশু বিশেষজ্ঞ ও কনসালট্যান্ট চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হোক। এতে বাড়তি রোগীর চাপ সামাল দেওয়ার পাশাপাশি উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌফিক পারভেজ বলেন, গত ২০ দিনে হাসপাতালে ৬২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৪৮ জন রোগী হাসপাতাল থেকে বিনামূল্যে দেওয়া ওষুধ ও চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে ১৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে সবাইকে সচেতন হতে হবে। ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। কোথাও যাতে নোংরা পানি জমে না থাকে, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।