ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

ভোরের ডাক ডেস্ক

আইন-আদালত

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ঘিরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাসদ সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ডের ৫০০ পৃষ্ঠার

2026-09-20T15:48:31+00:00
2026-09-20T15:48:31+00:00
  রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
৫ আশ্বিন ১৪৩৩
 
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আইন-আদালত
ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
ভোরের ডাক ডেস্ক
রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৮ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ঘিরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাসদ সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ডের ৫০০ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিচারিক প্যানেলের স্বাক্ষরের পর রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়। বিষয়টি প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকেও নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে ৩০ জুন ট্রাইব্যুনাল ইনুকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। মামলায় তার বিরুদ্ধে মোট আটটি অভিযোগ আনা হয়েছিল। এর মধ্যে তিনটি অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিটিতে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে সাজাগুলো একই সঙ্গে কার্যকর হওয়ায় মোট ১০ বছরই কারাভোগ করতে হবে তাকে।

পূর্ণাঙ্গ রায়ে ইনুর বিরুদ্ধে ৩, ৬ ও ৭ নম্বর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতাকে আটক ও নির্যাতনের জন্য কুষ্টিয়ার তৎকালীন পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ৬ নম্বর অভিযোগে ১৪ দলীয় জোটের বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তে ভূমিকার অভিযোগ এবং ৭ নম্বর অভিযোগে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রে সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।

অন্যদিকে, ইনুর বিরুদ্ধে আনা বাকি পাঁচটি অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সেগুলো থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। এসব অভিযোগের মধ্যে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য, ১৯ জুলাই গণভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ‘শুট অ্যাট সাইট’ সিদ্ধান্তে সম্পৃক্ততা, আন্দোলন দমনে হেলিকপ্টার ও মারণাস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা এবং ৫ আগস্ট কুষ্টিয়ায় ছয় আন্দোলনকারীকে হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগও ছিল।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছিল, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমনে ইনু বিভিন্নভাবে নির্দেশনা, প্ররোচনা ও সহযোগিতা করেছেন। বিশেষ করে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারকে ফোন করে আন্দোলনকারীদের তালিকা তৈরি এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগটি ট্রাইব্যুনালে প্রমাণিত হয়েছে বলে পূর্ণাঙ্গ রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের ১০ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন। বিচার শুরুর আগে ইনুর বিরুদ্ধে আটটি অভিযোগ গঠন করা হয়।

রায়ের পর প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে উচ্চ আদালতে আপিলের প্রস্তুতির কথাও জানানো হয়েছে।

এদিকে, হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে করা পৃথক মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাতেও বিচার কার্যক্রম চলছে।


Loading...
Loading...

আইন-আদালত- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: