জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনেও সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে জাতীয় নির্বাচনে ব্যবহৃত আধুনিক প্রযুক্তিগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহারের পরিকল্পনাও রয়েছে।
পাশাপাশি আগামী বছরের ৬ জুনের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করার বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে ঐকমত্য হয়েছে। তবে স্থানীয় নির্বাচন শুরুর সুনির্দিষ্ট তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন নিয়ে ২৬টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হবে। একই সঙ্গে নির্বাচনে আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে ইসি সানাউল্লাহ জানান, ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগামী ৬ জুনের মধ্যে শেষ করার বিষয়ে বৈঠকে অংশ নেওয়া সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো একমত হয়েছে। তবে কমিশনের আগে দেওয়া সময়সূচি ছিল সম্ভাব্য পরিকল্পনা; চূড়ান্ত সময়সূচি আরও পর্যালোচনার পর ঘোষণা করা হবে।
নির্বাচনের সময় নিয়ে তিনি বলেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বরজুড়ে বিভিন্ন পর্যায়ের পরীক্ষা রয়েছে। জানুয়ারিতে কিছুটা সময় পাওয়া গেলেও এরপর রমজান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের পাবলিক পরীক্ষা শুরু হবে। ফলে সীমিত সময়ের মধ্যে কীভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করা যায়, তা নিয়ে কমিশন কাজ করছে।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক থেকে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত কমিশনের সভায় পর্যালোচনা করা হবে। এরপর স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এদিকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।