ঠাকুরগাঁওয়ে স্কুলছাত্রী অপহরণ-ধর্ষণ, ৭ বছর পর রুবেলের যাবজ্জীবন

সারাদেশ

ঠাকুরগাঁওয়ে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় প্রায় সাত বছর পর রায় দিয়েছেন আদালত। মো. রুবেল ইসলাম ওরফে

2026-09-14T18:12:42+00:00
2026-09-14T18:12:42+00:00
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
৩১ ভাদ্র ১৪৩৩
 
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সারাদেশ
ঠাকুরগাঁওয়ে স্কুলছাত্রী অপহরণ-ধর্ষণ, ৭ বছর পর রুবেলের যাবজ্জীবন
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১২ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
ঠাকুরগাঁওয়ে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় প্রায় সাত বছর পর রায় দিয়েছেন আদালত। মো. রুবেল ইসলাম ওরফে রুবেল রানা (২৫) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি মোট এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আদালতের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে ঠাকুরগাঁওয়ের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ আলী মনসুর আসামির অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত রুবেল রানা ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া থানার খড়িবাড়ী (বদ্বেশ্বরী) গ্রামের মো. নান্দু ইসলামের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। এ কারণে তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে।

আদালতের বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ৭ নভেম্বর বিকেলে রুহিয়ার ঢোলারহাট বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ওই ছাত্রী তার মাসির বাড়িতে যাওয়ার জন্য ঢোলারহাট বাজারের তিন রাস্তার মোড়ের অটোচার্জার স্ট্যান্ডে যান।

অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে রুবেল তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ও ভুল বুঝিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যান। পরে একটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা হয়।

পরে স্থানীয়দের চাপের মুখে পরদিন রুবেল ওই ছাত্রীকে অটোরিকশায় করে ফেরত পাঠান। এরপর ভুক্তভোগীর পরিবার রুহিয়া থানায় মামলা দায়ের করে।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতে আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়। এরপর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭ ধারায় অপহরণের অপরাধে রুবেলকে ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

একই আইনের ৯(১) ধারায় ধর্ষণের অপরাধে তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে এ ধারায় আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ রয়েছে।

আদালত জানিয়েছেন, দুই ধারায় দেওয়া সাজা একই সঙ্গে কার্যকর হবে। ফলে তাকে মূলত যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

রায়ের বরাতে আদালতের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, আসামির ওপর আরোপ করা এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে গণ্য হবে।

এই অর্থ আদায়ে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসককে আসামির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. বদিউজ্জামান চৌধুরী বাদল। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. আবু নাঈম।


Loading...
Loading...

সারাদেশ- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: