ছোট ভাইয়ের মামলায় আসামি বড় ভাই-বোনজামাই, বন্ধ তাঁত কারখানা

কালিহাতী (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা

সারাদেশ

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে ছোট ভাই শফিকুল ইসলাম ধলা ও শাহী নামের এক ব্যক্তির মধ্যে মারামারি এবং পরবর্তী

2026-09-07T12:01:36+00:00
2026-09-07T12:04:19+00:00
  সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
 
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সারাদেশ
ছোট ভাইয়ের মামলায় আসামি বড় ভাই-বোনজামাই, বন্ধ তাঁত কারখানা
কালিহাতী (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০১ পিএম  আপডেট: ০৭.০৯.২০২৬ ১২:০৪ পিএম
সংগৃহীত ছবি

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে ছোট ভাই শফিকুল ইসলাম ধলা ও শাহী নামের এক ব্যক্তির মধ্যে মারামারি এবং পরবর্তী সময়ে একজনের মৃত্যুর ঘটনায় ধলার বড় ভাই ও বোনজামাইকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় নাম আসার পর গ্রেপ্তার এড়াতে রফিকুল ইসলাম ও তার বোনজামাই লিটন আত্মগোপনে রয়েছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। এতে তাদের পরিচালিত তাঁত কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শতাধিক শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন।

স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি কালিহাতী উপজেলার দড়িখশিল্লা নদীর পাড়ে জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে রামপুর বিলপাড়া গ্রামের কুরান আলীর সঙ্গে শাহী ও রফিকুল ইসলামের ছোট ভাই শফিকুল ইসলাম ধলার মারামারি হয়। পরে কুরান আলী টাঙ্গাইল ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। চিকিৎসা শেষে নিজ বাড়িতে ফেরার পর তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় কুরান আলীর মৃত্যুর পর কালিহাতী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় শফিকুল ইসলাম ধলার পাশাপাশি তার বড় ভাই রফিকুল ইসলাম, বোনজামাই লিটন ও শাহীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।

তবে রফিকুল ইসলামের পরিবারের দাবি, ঘটনার সঙ্গে রফিকুল ও তার বোনজামাইয়ের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ছোট ভাইয়ের সঙ্গে বিরোধের জেরে তাদের মামলায় জড়ানো হয়েছে। মামলায় নাম আসার পর গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় তারা বাড়িতে থাকতে পারছেন না। ফলে তাদের পরিচালিত তাঁত কারখানাটিও বন্ধ হয়ে গেছে।

কারখানা বন্ধ থাকায় নষ্ট হচ্ছে যন্ত্রপাতি, পচে যাচ্ছে সুতা ও শাড়ি। একই সঙ্গে কারখানায় কর্মরত শতাধিক শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে কারখানাটির ওপর নির্ভরশীল এসব শ্রমিক দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাইয়ুম খান সিদ্দিকী বলেন, “মামলার তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে বলা যাবে কে প্রকৃত অপরাধী।”

রফিকুল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং নিরপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানি থেকে রেহাই দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।



Loading...
Loading...

সারাদেশ- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: