বগুড়ার সাগর হত্যা মামলা ও গাবতলী উপজেলার ধর্ষণ মামলায় পলাতক দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গতকাল রোববার এ তথ্য জানিয়েছেন র্যাব-১২ বগুড়ার কোম্পানি কমান্ডার ফিরোজ আহমেদ। শহরের মালতিনগর স্টাফ কোয়ার্টার ও নরসিংদীর শিবপুর ইসলামিয়া জেনারেল হাসপাতাল এলাকা থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধর্ষণ মামলার আসামি বাঁধন মিয়া (২১) শাজাহানপুর উপজেলার লক্ষ্মীকোলা সরকারপাড়া মহল্লার পান্নু সরকারের ছেলে। হত্যা মামলার আসামি ফিরোজ আহমেদ (৩০) সদর উপজেলার পাঁচবাড়িয়া এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে।
মামলা সূত্র জানায়, ২৩ জুলাই সদর উপজেলার শাখারিয়া ইউনিয়নের চালিতাবাড়ি এলাকায় নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত আতিকুর রহমান সাগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী ছিলেন। তাঁর শ্বশুরের বসতবাড়িতে হামলা চালায় একদল সন্ত্রাসী। ভিকটিম আতিকুর রহমান সাগরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়। ছুরিকাঘাতের পর মৃত্যু নিশ্চিত করতে হামলাকারীরা তাঁকে বৈদ্যুতিক শক দেয়। ঘটনার পরদিন ২৪ জুলাই সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
গ্রেপ্তার এড়াতে এজাহারনামীয় ১৭ নম্বর আসামি ফিরোজ নরসিংদী জেলায় পালিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। শনিবার তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর র্যাব-১২ বগুড়া ও র্যাব-১১ নরসিংদীর যৌথ আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৬ আগস্ট গাবতলী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়। গ্রেপ্তার এড়াতে মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামি বাঁধন মিয়া আত্মগোপনে ছিলেন। শনিবার দিবাগত রাতে শহরের মালতিনগর স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় অভিযান চালায় র্যাব। তাঁকে গ্রেপ্তারের পর গাবতলী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।