একাদশে ভর্তি শুরু কাল, ক্লাস ২৩ সেপ্টেম্বর

ভোরের ডাক ডেস্ক

শিক্ষা

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির কার্যক্রম এগিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন সূচি অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনে একাদশ

2026-09-01T12:30:13+00:00
2026-09-01T12:57:09+00:00
  বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
 
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিক্ষা
একাদশে ভর্তি শুরু কাল, ক্লাস ২৩ সেপ্টেম্বর
ভোরের ডাক ডেস্ক
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩০ পিএম  আপডেট: ০১.০৯.২০২৬ ১২:৫৭ পিএম
একাদশে ভর্তি শুরু কাল, ক্লাস ২৩ সেপ্টেম্বর
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির কার্যক্রম এগিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন সূচি অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু হয়ে চলবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ করে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে কলেজ ও সমমানের প্রতিষ্ঠানে ক্লাস শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে।

শিক্ষাবোর্ডগুলোর প্রস্তাব অনুযায়ী, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই এবারও একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে শিক্ষার্থীর ফলাফল, কলেজের পছন্দক্রম এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনা করে কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে প্রতিষ্ঠান নির্ধারণ করা হবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। যারা এসএসসি বা সমমানের ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছে, তাদেরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। পুনর্নিরীক্ষণে ফল পরিবর্তন হলে তাদের জন্য ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর পুনরায় আবেদনের সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, আবেদন ও যাচাই-বাছাইয়ের পর ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। এরপর ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে নিয়মিত ক্লাস শুরু হওয়ার কথা। যারা নির্ধারিত সময়ে কোনো প্রতিষ্ঠানে মনোনয়ন পাবে না, পছন্দের প্রতিষ্ঠান পাবে না কিংবা কোনো কারণে আবেদন করতে পারেনি, তাদের জন্যও পরবর্তী সময়ে আবেদনের সুযোগ রাখা হবে।

সর্বনিম্ন ৫, সর্বোচ্চ ১০ কলেজে আবেদন : বর্তমান পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত ফি দিয়ে সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের প্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম দিয়ে আবেদন করতে পারবেন। ফলাফল, পছন্দক্রম ও প্রযোজ্য কোটা বিবেচনায় নিয়ে একজন শিক্ষার্থীকে একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কেন্দ্রীয়ভাবে এ অনলাইন ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের প্রতিষ্ঠান এবং ঢাকার নটর ডেম কলেজসহ অল্প কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের অধিকাংশ কলেজ ও মাদরাসায় এই সমন্বিত পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

আবেদন ও ভর্তি ফি : ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন আবেদনের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২২০ টাকা। শিক্ষা বোর্ডের বিভিন্ন ফি মিলিয়ে প্রাথমিক নিশ্চায়নের সময় মোট ৩৪০ টাকা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া কলেজের ধরন, অবস্থান, এমপিওভুক্তি এবং বাংলা বা ইংরেজি ভার্সনের ওপর ভিত্তি করে ভর্তি ও সেশন চার্জ নির্ধারণ করা হয়েছে। এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকা মহানগরে উভয় ভার্সনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা ভর্তি ফি নির্ধারিত হয়েছে। অন্যান্য মহানগরে ৩ হাজার, জেলা পর্যায়ে ২ হাজার এবং উপজেলা ও মফস্বল এলাকায় ১ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নন-এমপিও কলেজের ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠান ও এলাকার ধরন অনুযায়ী আলাদা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর এলাকার নন-এমপিও বা আংশিক এমপিও কলেজগুলোর জন্য সর্বোচ্চ ফি প্রযোজ্য হবে।

কোটায় ৭ শতাংশ আসনের প্রস্তাব : একাদশ শ্রেণির ভর্তিতে মোট আসনের ৭ শতাংশ কোটা রাখার প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। বাকি ৯৩ শতাংশ আসন সবার জন্য মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত রাখার কথা বলা হয়েছে।

প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, কোটার মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ২ শতাংশ আসন সংরক্ষণের কথা রয়েছে। তবে এটি প্রস্তাবিত নীতিমালা; চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পর কার্যকর হবে।

ফল পুনর্নিরীক্ষণে বিপুল আবেদন : এবার এসএসসি ও সমমানের ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য চার লাখের বেশি পরীক্ষার্থী আবেদন করেছেন। এসব শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে মোট প্রায় ১৩ লাখ আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে তত্ত্বীয় পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য ১০ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার খাতার জন্য ২ লাখ ৩১ হাজারের বেশি আবেদন হয়েছে।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাদের মধ্যে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। গত বছর জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। অর্থাৎ এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫—দুই ক্ষেত্রেই আগের বছরের তুলনায় কমেছে।


Loading...
Loading...

শিক্ষা- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: