
সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে গাজীপুরের টঙ্গী ইজতেমা ময়দানের পূর্ব পাশে একটি ড্রেন থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত আকাশ ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার রহমত বেপারীপাড়া গ্রামের মো. করিম সরদারের ছেলে। তিনি প্রায় তিন মাস আগে কুয়েত থেকে দেশে ফেরেন।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুলাই নাজিরপুর গ্রামের মাজহারুল ইসলাম ওরফে মিঠু (৩০) চাকরি দেওয়ার কথা বলে আকাশকে বাড়ি থেকে ঢাকায় নিয়ে আসেন। ওই দিন সন্ধ্যায় ‘সুমন’ নামে এক ব্যক্তি আকাশের স্ত্রীকে ফোন করে তাকে আটকে রাখার কথা জানান। এরপর থেকেই আকাশের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
ঘটনার পর ২ আগস্ট নিহতের বাবা করিম সরদার ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মাজহারুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে তিনজনের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা করেন। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-১ এর একটি দল রোববার টঙ্গী থেকে প্রধান আসামি মাজহারুলকে গ্রেপ্তার করে।
জিজ্ঞাসাবাদে মাজহারুল আকাশকে হত্যার পর মরদেহ ড্রেনে গুম করার কথা স্বীকার করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই সোমবার সকালে টঙ্গীর ড্রেন থেকে অর্ধগলিত মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান জানান, মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। মূল মামলাটি ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় হওয়ায় সেখানকার পুলিশ পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।