বাগেরহাটের শরণখোলায় রুটি খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে ৭ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৬০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এছাহাক মৃধাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (২৩ আগস্ট) সকালে গ্রেপ্তার হওয়া এছাহাক মৃধাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে শিশুটিকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) শরণখোলা উপজেলার বিধানসাগর গ্রামের ওই শিশুকে বাড়িতে রেখে তার মা-বাবা কাজে যান। এ সময় প্রতিবেশী এছাহাক মৃধা রুটি খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে নিজের ঘরে নিয়ে যান বলে অভিযোগ।
অভিযোগ রয়েছে, সেখানে শিশুটির হাত-মুখ বেঁধে তাকে ধর্ষণ করেন এছাহাক। একপর্যায়ে শিশুটি চিৎকার করলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বিষয়টি কাউকে জানালে ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
ভয়ে শিশুটি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি কাউকে জানায়নি। পরে শনিবার বিকেলে শারীরিক ব্যথায় কাতর হয়ে পড়লে সে তার মা ও প্রতিবেশীদের কাছে ঘটনার কথা জানায়। বিষয়টি জানার পর পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
পরে শনিবার দিবাগত রাতে শরণখোলা থানা পুলিশ বিধানসাগর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে এছাহাক মৃধাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানম জানান, শিশুটির মা সুমাইয়া বেগম বাদী হয়ে এছাহাক মৃধার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন। মামলার পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে রোববার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে। শিশুটিকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।