সাংবিধানিক প্রক্রিয়া ও নিয়মকানুন মেনে যথাসময়ে দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
রবিবার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় একটি ব্যতিক্রমধর্মী মন্ত্রণালয়। জনগণকে সরাসরি সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে এ মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সঠিকভাবে কাজ করলে দেশের প্রশাসনিক কার্যক্রমও সঠিকভাবে এগিয়ে যাবে। কারণ, এ মন্ত্রণালয় সরাসরি তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে কাজ করে।
তিনি বলেন, সরকার দেশের সব মানুষের সেবা করবে। তবে দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের সেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। অতীতে ধনিক শ্রেণিকে সুবিধা দিতে গিয়ে দরিদ্র মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে জনগণের প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকারের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে মঈন খান বলেন, বিএনপি জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সরকার গঠন করেছে। ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত চারটি নির্বাচনে জনগণের ইচ্ছার যথাযথ প্রতিফলন ঘটেনি। দীর্ঘ সময় পর ২০২৬ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী সরকার দায়িত্ব নিয়েছে।
তিনি বলেন, এক বছর দীর্ঘ সময়। সংবিধানের বিধান, সরকারের নীতি এবং জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন নিশ্চিত করেই স্থানীয় সরকারের প্রতিটি স্তরে নির্বাচন আয়োজন করা হবে। এসব নির্বাচনে জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধিরাই নির্বাচিত হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, শুধু স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় নয়, সরকারের সব পর্যায়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। বিএনপি প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না; তারা আইনের শাসনে বিশ্বাস করে। সরকার দেশে সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বিগত সরকারের সময়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে ঘিরে লুটপাট ও দুর্নীতির যেসব অভিযোগ উঠেছিল, সেগুলো থেকে বেরিয়ে এসে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে তাঁরা কাজ করছেন।