জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর কেন্দ্রীয় উদ্বোধন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া সফরকে সামনে রেখে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচির প্রস্তুতি পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, এমপি।
শনিবার (১৫ আগস্ট) কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউট মিনি স্টেডিয়ামে কেন্দ্রীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করেন তাঁরা। পরে আচমিতা সরকারি কার্প হ্যাচারি কমপ্লেক্স এবং পাকুন্দিয়ার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়ি ঘাট এলাকায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্তির স্থানও ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলের মঞ্চ, অতিথিদের বসার ব্যবস্থা, নিরাপত্তা, প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ, যানবাহন ব্যবস্থাপনা, সাজসজ্জা এবং পোনা অবমুক্তির স্থানসহ সার্বিক প্রস্তুতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। কর্মসূচি সুষ্ঠু ও যথাযথভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেন তাঁরা।
আগামীকাল রোববার (১৬ আগস্ট) কটিয়াদীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর কেন্দ্রীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে পাকুন্দিয়ার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়ি ঘাট এলাকায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হবে। কেন্দ্রীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন এবং পোনা অবমুক্ত করবেন।
জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর এবারের প্রতিপাদ্য ‘রূপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।
আয়োজনে জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ মৎস্য উদ্যোক্তা ও খামারিদের সম্মাননা দেওয়া হবে। পাশাপাশি দেশের মৎস্য খাতের উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি, মৎস্যসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ মাছ উৎপাদন এবং মৎস্যচাষিদের উৎসাহিত করার বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর সফর ও জাতীয় মৎস্য পক্ষের কেন্দ্রীয় আয়োজন ঘিরে স্থানীয় প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর সমন্বিতভাবে প্রস্তুতি নিয়েছে।
পরিদর্শনের সময় বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দীন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনকসহ মন্ত্রণালয়, মৎস্য অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।