আমতলীতে খাল খনন শেষে ৩৭ লাখ টাকা ফেরত দিলেন ইউএনও

আমতলী (বরগুনা) সংবাদদাতা

সারাদেশ

বরগুনার আমতলীতে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান প্রকল্পের আওতায় দুটি খাল খননের কাজ শেষে সরকারি কোষাগারে ৩৭ লাখ ৫০ হাজার ৫৪০ টাকা

2026-08-13T17:40:54+00:00
2026-08-13T17:40:54+00:00
  শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬,
৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
 
শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
সারাদেশ
আমতলীতে খাল খনন শেষে ৩৭ লাখ টাকা ফেরত দিলেন ইউএনও
আমতলী (বরগুনা) সংবাদদাতা
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪০ পিএম 
মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী।
বরগুনার আমতলীতে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান প্রকল্পের আওতায় দুটি খাল খননের কাজ শেষে সরকারি কোষাগারে ৩৭ লাখ ৫০ হাজার ৫৪০ টাকা ফেরত দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী।

প্রকল্পের আওতায় কুকুয়া ইউনিয়নের পশ্চিম কেওয়াবুনিয়া খালের ৩ কিলোমিটার এবং হলদিয়া ইউনিয়নের পশুরবুনিয়া খালের ২ কিলোমিটার খনন করা হয়। খননকাজে ৩৯৭ জন হতদরিদ্র উপকারভোগী অংশ নেন।

জানা গেছে, গত ৮ এপ্রিল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর পশ্চিম কেওয়াবুনিয়া খাল খননের জন্য ৭৭ লাখ ২৮ হাজার ৮৪২ টাকা এবং পশুরবুনিয়া খাল খননের জন্য ৫১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৫ টাকা বরাদ্দ দেয়। দুটি খালের জন্য মোট বরাদ্দ ছিল ১ কোটি ২৮ লাখ ৮৩৭ টাকা।

ইউএনও মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে খননকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর খালের দুই পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছও লাগানো হয়। কাজ শেষে অব্যয়িত ৩৭ লাখ ৫০ হাজার ৫৪০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রকল্পের উপকারভোগীরা জানান, খাল খননের ফলে শুকনো মৌসুমে কৃষকদের পানির সংকট অনেকটাই কমবে। এতে কেওয়াবুনিয়া খালপাড়ের প্রায় ২০ হাজার কৃষক উপকৃত হবেন বলে আশা করছেন তারা। পাশাপাশি খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণের ফলে এলাকার সৌন্দর্যও বেড়েছে।

উপকারভোগী এইচএম কাওসার মাদবর ও রুবেল হাওলাদার বলেন, আগে শুকনো মৌসুমে পানির অভাবে রবি শস্য চাষে কৃষকদের নানা সমস্যায় পড়তে হতো। খাল খননের ফলে সেই সংকট অনেকটাই দূর হয়েছে। এখন খালের পানি ব্যবহার করে কৃষকরা নিয়মিত ফসল উৎপাদন করতে পারবেন।

আমতলী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রুনু বেগম বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনা ও প্রকল্পের কার্যাদেশ অনুযায়ী খননকাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। কাজ শেষে অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

ইউএনও মুহাম্মাদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, খাল খনন প্রধানমন্ত্রীর একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। নির্দেশনা অনুযায়ী প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে। কাজ শেষে ৩৭ লাখ ৫০ হাজার ৫৪০ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি ও উপজেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সুযোগ হয়েছে। এ সময় ভালো কাজের জন্য উৎসাহ দেওয়া হয়েছে এবং উপজেলা উন্নয়নে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রকল্পের উপকারভোগীরা সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে কাজ সম্পন্ন করার এ উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন।


Loading...
Loading...

সারাদেশ- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: