ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সাংগঠনিক নানা জটিলতা সামলে ওঠার সময়ই তার বিরুদ্ধে এবার বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ সামনে এসেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টেলিগ্রাফ’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উয়েফার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ইনফান্তিনোর সঙ্গে ‘কথিত সম্পর্ক’ ছিল এমন এক নারীকে উয়েফা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ দিয়েছিল। ওই নারী সে সময় উয়েফায় ইনফান্তিনোর জুনিয়র সহকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, প্রচলিত নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে ওই নারীকে সুবিধাজনক একটি পদে পদোন্নতিও দিয়েছিলেন ইনফান্তিনো। একই নারীর সঙ্গে তার বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন ফিফা সভাপতির এক মুখপাত্র। টেলিগ্রাফকে তিনি জানান, ‘ফিফা সভাপতি এসব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করছেন এবং এগুলো সম্পূর্ণ অসত্য। তার সঙ্গে এমন আচরণ, কোনো বিধি কিংবা নিয়ম লঙ্ঘনের ইঙ্গিত দেওয়া মানহানিকর। উয়েফা ও ফিফার কোনও কর্মী কখনোই ইনফান্তিনোর আচরণ নিয়ে অভিযোগ করেননি, কারণ তার এমন কিছুতে জড়িত থাকার মতো ঘটনাই কখনও ঘটেনি।’
অন্যদিকে, টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উয়েফা সংশ্লিষ্ট নারীকে অর্থ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। স্থানীয় একটি বিজনেস স্কুলে তার এমবিএ কোর্স শেষ করার ফি পরিশোধেও সেই অর্থের একটি অংশ ব্যবহার করা হয়েছিল বলে জানানো হয়েছে।
উয়েফার তথ্য অনুযায়ী, ওই সময়কার কার্যকর নিয়ম মেনেই অর্থগুলো প্রদান করা হয়েছিল এবং সেগুলো বৈধ ছিল। তবে পরবর্তী সময়ে অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে সংস্থাটি আরও কঠোর নিয়ম চালু করে।
২০০০ সালে উয়েফায় যোগ দেন ইনফান্তিনো। ২০০৯ সালে তিনি সংস্থাটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব নেন। এরপর ২০১৬ সালে ফিফার সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি।