বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (বিটিইবি) দেশের ৬২১টি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমোদন কেন বাতিল বা প্রত্যাহার করা হবে না, সে বিষয়ে সাত কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আদেশ অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এসএসসি (ভোকেশনাল) শিক্ষাক্রমের ৪৪৩টি এবং দাখিল (ভোকেশনাল) শিক্ষাক্রমের ১৭৮টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
বোর্ড জানায়, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি না হওয়ায় এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। এ বিষয়ে গত ২২ জুলাইয়ের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে ওয়েবসাইটে নোটিশ দেওয়া হলেও অনেক প্রতিষ্ঠান কোনো জবাব দেয়নি। তাই যেসব প্রতিষ্ঠান এখনো ব্যাখ্যা দেয়নি, তাদের আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হয়েছে।
অফিস আদেশে আরও বলা হয়েছে, বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন, পাঠদান ও স্বীকৃতি প্রদান সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২৪ অনুযায়ী নির্ধারিত শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে সরকারের অনুমোদনক্রমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি বাতিল বা প্রত্যাহার করতে পারবে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড।
নীতিমালার শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—নির্ধারিত সময়ে শিক্ষার্থী ভর্তি, ফলাফল, অবকাঠামো, শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ, ব্যবস্থাপনা কমিটি, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, গ্রন্থাগার এবং পাঠদানের অনুমতির অন্যান্য শর্ত পূরণ।
এদিকে, অফিস আদেশের সঙ্গে এসএসসি (ভোকেশনাল) শিক্ষাক্রমের ৪৪৩টি এবং দাখিল (ভোকেশনাল) শিক্ষাক্রমের ১৭৮টি প্রতিষ্ঠানের পূর্ণাঙ্গ তালিকাও প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড।