ফিফা গোল্ডেন বল জিতেছেন স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার রদ্রি। তবে আন্তর্জাতিক ফুটবল ইতিহাস ও পরিসংখ্যান ফেডারেশন (আইএফএফএইচএস) এবং জনপ্রিয় ফুটবলভিত্তিক ওয়েবসাইট ট্রান্সফারমার্কেটের মূল্যায়নে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি।
ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে রানার্সআপ হয় আর্জেন্টিনা। তবুও পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা।
বিশ্বকাপে ৮ ম্যাচে ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট করে মোট ১২টি গোলে সরাসরি অবদান রাখেন মেসি। ৮.৭০ ম্যাচ রেটিং নিয়ে আইএফএফএইচএস তাকে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে নির্বাচিত করেছে। সংস্থাটির মূল্যায়নে নকআউট পর্বে সর্বাধিক গোলে অবদান, সবচেয়ে বেশি সফল ড্রিবল এবং ১৭টি ভিন্ন দেশের বিপক্ষে গোল করার রেকর্ডও তাকে এগিয়ে রেখেছে।
আইএফএফএইচএসের তালিকায় ৮.০৫ রেটিং নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে। ৭.০৭ রেটিং নিয়ে তৃতীয় হয়েছেন স্পেনের মার্ক কুকুরেয়া। মজার বিষয় হলো, ফিফার গোল্ডেন বলজয়ী রদ্রি আইএফএফএইচএসের সেরা দশের তালিকাতেই জায়গা পাননি।
অন্যদিকে, ফিফার অফিসিয়াল পুরস্কারে আধিপত্য ছিল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের। পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র একটি গোল হজম করা দলের মিডফিল্ডার রদ্রি জিতেছেন গোল্ডেন বল। যদিও আইএফএফএইচএস তাকে টুর্নামেন্টের সেরা ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তবে সেরা গোলরক্ষকের ক্ষেত্রে দুই পক্ষই একমত—এই স্বীকৃতি পেয়েছেন স্পেনের উনাই সিমোন।
সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের ক্ষেত্রেও রয়েছে ভিন্নতা। আইএফএফএইচএসের মতে এই পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য ছিলেন স্পেনের তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল। তবে ফিফা অফিসিয়ালি সেরা তরুণের পুরস্কার দিয়েছে তারই সতীর্থ ও সমবয়সী ডিফেন্ডার পাউ কুবারসিকে।
এদিকে ভক্তদের ভোটেও বাজিমাত করেছেন মেসি। ট্রান্সফারমার্কেটের আয়োজিত ফ্যান ভোটে ৩৬.৮ শতাংশ সমর্থন পেয়ে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন টুর্নামেন্টসেরা খেলোয়াড় হিসেবে।
এই ভোটে ২৫.৬ শতাংশ সমর্থন নিয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে, যিনি টানা দ্বিতীয়বারের মতো গোল্ডেন বুট জিতেছেন। আর ৮.৩ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন কেপ ভার্দের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনহা।