গত ৩ দিন ধরে এবং আজ রবিবার (১৯ জুলাই) পর্যন্ত অঝোর ধারায় বৃষ্টি শুরু হলে অবিরাম বৃষ্টিতে ডিমলা উপজেলায় গতকাল ৭৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।
নীলফামারী জেলায় ৪৪.৫ মিলিমিটার গড় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। বৃষ্টিপাতের রেকর্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিমলা উপজেলা কৃষি দপ্তর বৃষ্টিপাত মনিটরিং সেল।
তবে, রাতভর মুষলধারে বৃষ্টি হলেও তিস্তা ব্যারাজে পানির প্রবাহ বিপদসীমা অতিক্রম করেনি।
সরেজমিনে তিস্তা পারে গিয়ে দেখা গেছে সকাল থেকে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
অতি ভারী বৃষ্টিতে তিস্তা নদীর অববাহিকায় ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ী ও জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে পানি বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে ।
গয়াবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান ফয়সাল ইবনে মুন জানায়,তিস্তা নদীর পানি তীরবর্তী সমতল এলাকায় প্রবেশ করে কৃষক ও সাধারন পরিবারের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।পানি বন্দি হয়েছে কিছু পরিবার।
পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়ন প্যানেল চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান ও টেপাখড়িবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম সাহিন জানান , সারা রাত ধরে ব্যাপক বৃষ্টিতে কালীগঞ্জ মৌজা, চরখড়িবাড়ি কিসামত ছাতনাই মৌজা এবং তিস্তা নদী তীরবর্তী এলাকায় প্লাবিত হয়েছে, পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অনেক পরিবার।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি সতর্কিকরন কেন্দ্র জানিয়েছে ভারী বৃষ্টিপাতে তিস্তার পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে তবে সকাল থেকে নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।