বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার পর সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ নিয়ে নিজের পছন্দ-অপছন্দের কথা জানিয়েছেন স্পেনের কোচ। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, নির্দিষ্ট একটি দলের বিপক্ষে শিরোপার লড়াই এড়িয়ে যেতে চান। কারণ হিসেবে তুলে ধরেছেন সেই দলের শক্তি, অভিজ্ঞতা ও কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা।
১৯ জুলাই নিউ জার্সি স্টেডিয়ামের একটি ডাগআউট ‘বুক’ করে ফেলেছে স্পেন। এখন অপেক্ষা অন্য একটি দলের। আজ আর্জেন্টিনা–ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল থেকেই তা জেনে যাবে স্পেন।
কোন দল জিতবে, তার নিয়ন্ত্রণ স্পেনের হাতে নেই। তবে প্রতিপক্ষ বিষয়ে একটা ব্যক্তিগত পছন্দ তো থাকতেই পারে। আর সেটিই জিজ্ঞেস করা হয়েছিল স্পেন কোচ লুই দে লা ফুয়েন্তেকে। ফ্রান্সকে ২–০ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার পর স্পেন কোচ জানিয়েছেন, সুযোগ হলে ফাইনালে তিনি আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতে চান।
আর্জেন্টিনা ২০২২ আসরের চ্যাম্পিয়ন। দক্ষিণ আমেরিকার সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতা কোপা আমেরিকারও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন। বিপরীতে স্পেন এখন ইউরো চ্যাম্পিয়ন। ভেন্যু নিয়ে জটিলতা না দেখা দিলে দুই মহাদেশীয় চ্যাম্পিয়নের খেলারও কথা ছিল কয়েক মাস আগে।
তবে স্পেন কোচ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে প্রতিপক্ষ হিসেবে চাওয়ার কারণ এসব নয়। কারণ, লিওনেল স্কালোনির সঙ্গে বন্ধুত্ব। আর্জেন্টিনা কোচ একসময় রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনে কোচিং কোর্স করেছিলেন। সেখানে তাঁর প্রশিক্ষক ছিলেন দে লা ফুয়েন্তে।
তাঁর মতে, দুই দলই ফাইনালের উপযুক্ত প্রতিপক্ষ, ‘আমি আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতে চাই, কারণ স্কালোনির সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব আছে। তবে ইংল্যান্ডও খুব কঠিন প্রতিপক্ষ হবে। এবারই প্রথম ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ চার দল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে।’
অন্যদিকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালের আগে সংবাদ সম্মেলনে দে লা ফুয়েন্তের প্রশংসা করেছেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিও, ‘লুইসের জন্য আমি খুব খুশি। তাঁর এটা প্রাপ্য। তিনি দারুণ একজন মানুষ। সব সময় আমাকে সাহায্য করেছেন। সামনে কী হয়, দেখা যাক। তিনি অবশ্যই এই সাফল্য অর্জনের যোগ্য।’
দে লা ফুয়েন্তেকে ফোন করবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে স্কালোনি হেসে বলেন, ‘ম্যাচের ফলের ওপর নির্ভর করবে। আমরা জিতলে ফোন করব না। হারলে ওকে ফোন করে একটু সাহায্য চাইব! তবে আশা করছি, ফাইনালের আগে তাঁকে ফোন করার প্রয়োজন হবে না।’