রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী উপস্থিত ছিলেন।
এবারের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ৭৮ হাজার ৮১০টি বিদ্যালয়ের মোট ৬ লাখ ৪৫ হাজার ৪১ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেছিল। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ৪ লাখ ১৯ হাজার ৯৮২ জন। চূড়ান্তভাবে বৃত্তি পেয়েছে ৭৯ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থী। পরীক্ষার্থীদের বিবেচনায় বৃত্তি পাওয়ার হার ৩৮ দশমিক ৮৭ শতাংশ।
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা বেশি। এবার ৪৩ হাজার ৩৫৪ জন ছাত্রী (৫৪ দশমিক ৭১ শতাংশ) এবং ৩৫ হাজার ৮৯২ জন ছাত্র (৪৫ দশমিক ২৯ শতাংশ) বৃত্তি পেয়েছে।
মোট বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ৩২ হাজার ৯৬৫ জন পেয়েছে ট্যালেন্টপুল (মেধাবৃত্তি) এবং ৪৬ হাজার ২৮১ জন পেয়েছে সাধারণ বৃত্তি। বিদ্যালয়ভিত্তিক হিসাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ৫৭ হাজার ৯৬২ জন এবং কিন্ডারগার্টেন থেকে ৯ হাজার ৯৯৪ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে।
সব ক্যাটাগরি মিলিয়ে দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪ হাজার ৬৮২টি বৃত্তি পেয়েছে ঢাকা জেলার শিক্ষার্থীরা। সবচেয়ে কম ১৮৮টি বৃত্তি পেয়েছে বান্দরবান জেলার শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি ৮ হাজার ৮৯৮ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে দিনাজপুর জেলায়।
বর্তমানে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা মাসে ৩০০ টাকা এবং বার্ষিক এককালীন ২২৫ টাকা পাচ্ছে। সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ২২৫ টাকা ও বার্ষিক এককালীন ২২৫ টাকা করে পাচ্ছে। তবে ২০২৬ সালের জন্য প্রস্তাবিত নতুন কাঠামো অনুমোদন হলে ট্যালেন্টপুলে মাসিক ৬০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিতে মাসিক ৪৫০ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।
যেভাবে জানা যাবে ফলাফল
শিক্ষার্থীরা অনলাইন ও মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে প্রাথমিক বৃত্তির ফল জানতে পারছে। অনলাইনে ফল দেখার অফিসিয়াল মাধ্যম হলো ‘আইপিইএমআইএস’ (IPEMIS) পোর্টাল।
এ ছাড়া মোবাইল মেসেজের মাধ্যমে ফল জানতে মেসেজ অপশনে গিয়ে DPE লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। উদাহরণ: DPE 123456