খোয়াইয়ের বাঁধভাঙা পানিতে বানিয়াচংয়ে আতঙ্ক

বানিয়াচং (হবিগঞ্জ) সংবাদদাতা

সারাদেশ

হবিগঞ্জের খোয়াই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার অন্তত

2026-07-10T20:37:07+00:00
2026-07-10T20:37:07+00:00
  শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬,
২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
 
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ
খোয়াইয়ের বাঁধভাঙা পানিতে বানিয়াচংয়ে আতঙ্ক
বানিয়াচং (হবিগঞ্জ) সংবাদদাতা
শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ৮:৩৭ পিএম 
ছবি ভোরের ডাক
হবিগঞ্জের খোয়াই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার পর শুক্রবার (১০ জুলাই) সেই বাঁধভাঙা পানি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বানিয়াচং উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, ১১ নম্বর মক্রমপুর, ১২ নম্বর সুজাতপুর এবং ১৩ নম্বর মন্দরী ইউনিয়নের একাধিক গ্রামে পানি ঢুকে পড়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে অসংখ্য মাছের ঘের, ফসলি জমি ও গ্রামীণ সড়ক। স্থানীয়দের দাবি, এতে কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যদিও এখনো অধিকাংশ বসতবাড়িতে পানি প্রবেশ করেনি, তবে পানি দ্রুত বাড়তে থাকায় চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছেন বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের ভাষ্য, খোয়াই নদীর পানি উপচে পড়ার পাশাপাশি বাঁধ ভেঙে সুজাতপুর ও রাধাপুর এলাকা দিয়ে প্রবল স্রোতে পানি প্রবেশ করছে। ইতোমধ্যে তিনটি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকার মাছের ঘের, কৃষিজমি ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় আরও অনেক বাড়িঘর প্লাবিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এদিকে টানা বৃষ্টি ও বাঁধভাঙা পানির কারণে বানিয়াচং উপজেলা সদরের শুঁটকি নদীসহ বিভিন্ন খাল-বিলে পানির উচ্চতা বেড়েছে। উপজেলার অন্তত ৫০টির বেশি সড়কে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। জমে থাকা পানি দ্রুত নিষ্কাশন না হওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

উপজেলা সদরের বাসিন্দা তায়েফ রহমান বলেন, খোয়াই নদীর বাঁধভাঙা পানি দ্রুত বানিয়াচংয়ে প্রবেশ করছে। অনেক নিম্নাঞ্চল ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এভাবে পানি বাড়তে থাকলে উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। তাই সবাইকে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন।

হাওরপাড়ের বাসিন্দা রিমন খান বলেন, ৫ নম্বর দৌলতপুর ও ৬ নম্বর কাগাপাশা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় পানির উচ্চতা বেড়েছে। খোয়াই নদীর পানি বিস্তীর্ণ হাওরাঞ্চলেও ক্ষয়ক্ষতি করছে। দুর্যোগ মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসনের আগাম প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি।

বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা বেগম সাথী বলেন, যেসব এলাকায় পানি প্রবেশ করেছে, সেসব এলাকা আমরা পরিদর্শন করেছি। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। তালিকা অনুযায়ী সহায়তা প্রদান করা হবে এবং দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


Loading...
Loading...

সারাদেশ- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: