বাংলাদেশের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী আবারও মুগ্ধ হয়েছেন তুরস্কের সৌন্দর্যে। তার ভাষায়, ‘অবসর পেলেই সেখানে ছুটে যেতে ইচ্ছা করে।’ সম্প্রতি নিজের ভ্রমণ অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তিনি জানিয়েছেন, ইস্তাম্বুলে দ্বিতীয়বার গিয়েও যেন নতুন করে প্রেমে পড়েছেন এশিয়া-ইউরোপের মিলনস্থল এই দেশের।
ইস্তাম্বুলের সমুদ্রঘেঁষা পাহাড়, বসফরাস ক্রুজ, ঐতিহাসিক তোপকাপি প্রাসাদ, হাগিয়া সোফিয়া, ডলমাবাহচে প্রাসাদ, গ্র্যান্ড বাজার ও সুলতানাহমেত স্কয়ার—সবকিছুই তাকে আবারও মুগ্ধ করেছে। ২০২৩ সালের সফরের স্মৃতি থাকলেও এবারও প্রতিটি মুহূর্ত ছিল নতুন রোমাঞ্চে ভরা।
অভিনেত্রী জানান, শুটিংয়ের সুবাদে বিশ্বের নানা দেশে যাওয়ার সুযোগ হলেও তার ভ্রমণপিপাসু মন তাতে তৃপ্ত হয়নি। সুযোগ পেলেই তিনি বেরিয়ে পড়েন নতুন কোনো গন্তব্যের উদ্দেশে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে ঘুরে বেড়ানোর অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন তিনি।
কানাডার নায়াগ্রা জলপ্রপাত, জাপানের মাউন্ট ফুজি, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ও মেলবোর্ন কিংবা লন্ডনের স্মৃতি—সবকিছুই তার কাছে বিশেষ। তবে এত দেশ ঘুরেও তুরস্কের প্রতি আলাদা এক টান অনুভব করেন তিনি।
ভ্রমণপ্রেমীদের উদ্দেশে অভিনেত্রী বলেন, প্রকৃতির সৌন্দর্য আর ইতিহাসকে একসঙ্গে উপভোগ করতে চাইলে তুরস্ক হতে পারে অন্যতম সেরা গন্তব্য। আর তার নিজের কথায়, ‘এক চিলতে অবসর পেলেই সেখানে ছুটে যেতে ইচ্ছা করে।’
ইস্তাম্বুলের পাহাড়, বসফরাসের জল আর অটোমান ইতিহাস—ভ্রমণের স্মৃতিতে আবেগঘন অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন জনপ্রিয় মডেল-অভিনেত্রী।