কন্নড় সুপারস্টার যশের বহুল প্রতীক্ষিত প্যান-ইন্ডিয়া সিনেমা ‘টক্সিক: আ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপস’ মুক্তির আগেই একের পর এক বিতর্কে জড়াচ্ছে। প্রথম ঝলকের পর এবার প্রথম গান ‘তাবাহি’ প্রকাশকে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। যশ ও কিয়ারা আদভানির ঘনিষ্ঠ রোমান্টিক দৃশ্য নিয়ে যেমন প্রশংসা করছেন অনেক দর্শক, তেমনি সাহসী উপস্থাপনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনাও কম হচ্ছে না।
বিশাল মিশ্রের কণ্ঠ ও সুরে তৈরি গানটিতে যশ ও কিয়ারাকে একাধিক রোমান্টিক ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে দেখা যায়। গির্জার বাইরে প্রথম সাক্ষাৎ থেকে শুরু করে সার্কাসের মঞ্চের আড়ালে চুম্বন, গাড়ির ভেতর ও সমুদ্রসৈকতে অন্তরঙ্গ দৃশ্য—সব মিলিয়ে গানটি মূলত দুই চরিত্রের প্রেমের সম্পর্ককেই তুলে ধরেছে। শেষ দৃশ্যে আগুনে পুড়ে যাওয়া একটি কার্নিভ্যালের ফেরিস হুইলেও দেখা যায় তাদের।
গানটি প্রকাশের পর অনেকেই দুই তারকার পর্দার রসায়নের প্রশংসা করেছেন। সামাজিক মাধ্যমে একজন লিখেছেন, অনেক দিন পর এমন একটি প্রেমের গল্প দেখলাম, যেখানে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যগুলো শুধু প্রচারণার জন্য নয়, আবেগও রয়েছে।
আরেকজনের মতে, দৃশ্যগুলো সাহসী হলেও কোথাও অশালীন নয়। কিয়ারাকে দারুণ লেগেছে।
কেউ কেউ আবার মন্তব্য করেছেন, আকর্ষণীয় উপস্থাপনা ও অশালীনতার মধ্যে যে সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে, ‘তাবাহি’ সেই সীমা অতিক্রম করেনি।
যশের নতুন লুক ও শরীরী ভাষাও দর্শকদের নজর কেড়েছে। অনেকের মতে, আগের সিনেমাগুলোর তুলনায় এই ছবিতে যশকে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
তবে সমালোচনাও কম হয়নি। একাংশের দর্শকের অভিযোগ, ‘কেজিএফ’–এর পর যশের নতুন ছবির প্রচারণায় গল্পের চেয়ে প্রেম ও ঘনিষ্ঠ দৃশ্যই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।
একজন লিখেছেন, এটি পুরো পরিবার নিয়ে দেখার মতো ছবি মনে হচ্ছে না। আরেকজন প্রশ্ন তুলেছেন, এখন পর্যন্ত প্রচারে শুধু প্রেম আর প্রতারণার ইঙ্গিত মিলছে, কিন্তু গল্প কোথায়?
এর আগেও ‘টক্সিক’-এর প্রথম টিজার প্রকাশের সময় একই ধরনের বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। টিজারের কিছু দৃশ্যকে অনেকেই অতিরিক্ত যৌন আবেদননির্ভর বলে সমালোচনা করেছিলেন।
গীতু মোহনদাস পরিচালিত ও যশের সঙ্গে যৌথভাবে রচিত ‘টক্সিক: আ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপস’ সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন কিয়ারা আদভানি, নয়নতারা, হুমা কুরেশি, রুক্মিণী বসন্ত ও তারা সুতারিয়া। সব আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই আগামী ২৬ আগস্ট ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।