বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ শেষ ষোলোর ম্যাচে রোববার (৫ জুন) রাত ২টায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ নরওয়ে। কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেওয়ার লড়াইয়ে ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় চিন্তার নাম নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড। গতি, শক্তি এবং গোল করার অসাধারণ দক্ষতায় প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে ত্রাস ছড়ানো এই ফরোয়ার্ডকে আটকে রাখাই সেলেসাওদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তির মতে, হালান্ডের খেলার ধরন সম্পর্কে আলাদা করে তার ডিফেন্ডারদের বোঝানোর প্রয়োজন নেই। কারণ ক্লাব ফুটবলে তার বিরুদ্ধে তারা একাধিকবার খেলেছেন। তবে হালান্ডের সামর্থ্য সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে আনচেলত্তি বলেন, ‘হালান্ডকে সবাই চেনে। আমার ডিফেন্ডারদের বুঝিয়ে বলতে হবে না সে কীভাবে খেলে। তারা আমার চেয়েও তাকে ভালো চেনে, কারণ তার বিরুদ্ধে তারা অনেকবার খেলেছে। তবে অবশ্যই হালান্ডের শক্তি ও সামর্থ্যের বিষয়টি আমাদের মাথায় রাখতে হবে, কারণ সে খুবই বিপজ্জনক একজন ফরোয়ার্ড।’
অন্যদিকে ব্রাজিলের মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারেস মনে করেন, হালান্ডকে থামানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো তার কাছে বল পৌঁছাতে না দেওয়া। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের চেষ্টা করতে হবে বল যেন তার কাছে না পৌঁছায়। আমরা আক্রমণে উঠব, তবে সব সময় কেউ না কেউ তার সঙ্গে আঠার মতো লেগে থাকবে যেন সে কোনো ফাঁকা জায়গা না পায়। কারণ আমরা জানি, মাত্র একটি বল পেলেই সে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিতে পারে।’
গিমারেস আরও মনে করেন, হালান্ডের উচ্চতা এবং নরওয়ের শারীরিক শক্তিনির্ভর ফুটবলের কারণে ম্যাচটি কৌশলগত ও স্নায়ুচাপপূর্ণ হতে পারে। বিশেষ করে কর্নার ও ফ্রি-কিকের মতো সেট পিস থেকে নরওয়ে বড় ধরনের হুমকি তৈরি করতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে গিমারেস বলেন, ‘তারা আমাদের বক্সে অনেক বল ফেলবে এবং প্রতিটি কর্নার বা ফ্রি-কিক থেকে গোল করার জন্য নিজেদের সবকিছু উজাড় করে দেবে। তাদের সেই শক্তিকে নসাৎ করার জন্য আমরা সপ্তাহে অনেক অনুশীলন করেছি। এটি অত্যন্ত কঠিন একটি ম্যাচ হতে যাচ্ছে।’