খুলনার পাইকগাছা উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের উত্তর গড়ের আবাদ এলাকার প্রধান ইটের সলিং সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সড়কের বিভিন্ন স্থানে ইট উঠে গিয়ে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্তে পানি জমে চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমের আগে জরুরি ভিত্তিতে সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চৌমুহনী বাজার মহিলা মাদ্রাসার সামনে থেকে গোলজার মোল্লার বাড়ি পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন অংশে ইট উঠে গিয়ে বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এতে পথচারী, মোটরসাইকেল আরোহী, ভ্যানচালকসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচলে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। একই সড়কের প্রায় ১৬৪ মিটার অংশ এখনো কাঁচা থাকায় বর্ষাকালে সেটি কাদায় ডুবে যায় এবং চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
হাড়িয়ার ডাঙ্গা-কমলাপুর থেকে উত্তর গড়ের আবাদ হয়ে চৌমুহনী বাজার পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কের আইডি ২৪৭৬৪৫০৫৭। এলাকাবাসীর ভাষ্য, এটি স্থানীয়দের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ পথ হলেও দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উন্নয়ন না হওয়ায় সড়কটির বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে।
প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষসহ শত শত যানবাহন চলাচল করে। কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ এবং জরুরি রোগী হাসপাতালে নেওয়ার ক্ষেত্রেও এই সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ভাঙাচোরা অবস্থার কারণে প্রতিনিয়ত ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বর্ষা শুরু হলে সড়কের গর্তগুলো পানিতে তলিয়ে যাবে এবং কাঁচা অংশ কাদায় পরিণত হবে। তখন পুরো এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে পড়বে। তাই বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও জনদুর্ভোগ এড়াতে বর্ষা শুরু হওয়ার আগেই সড়কটি সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডি) দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন।